190946

নিষিদ্ধ হবার শঙ্কা মিরপুর স্টেডিয়াম!

২০১৭ সালের প্রায় অর্ধেক সময় জুড়ে সংস্কার করা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রধান স্টেডিয়াম মিরপুরের শের-এ-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এই মাঠটি ‘হোম অব ক্রিকেট’ নামে পরিচিত।

বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের অগাস্ট সেপ্টেম্বর মাসে।সে সময় ঢাকা টেস্টের ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো, মিরপুর স্টেডিয়ামের আউটফিল্ডকে ‘খারাপ’ বলে অভিহিত করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে অবহিত করেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ১৪ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়। সেই ম্যাচের পর মিরপুরে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ হয়নি, তবে বাংলাদেশের ঘরোয়া টি টোয়েন্টি লিগ বা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে পিচ নিয়ে সমালোচনা করেন তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মর্তুজা ও নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পিচ ও আউটফিল্ড নিয়ে তামিম ইকবালের ‘কঠোর’ ভাষার সমালোচনা পছন্দ করেনি, এজন্য তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হয়েছে। যদিও আউটফিল্ড নিয়ে যে আইসিসির কাছ থেকে সতর্কতা সংকেত বিসিবির কাছে এসে গেছে সেটি পরিষ্কার হয়েছিলো বিসিবি সভাপতির কথাতেই।
এ প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, ‘পিচ নিয়ে কথা বলতেই পারে ক্রিকেটার কিন্তু আউটফিল্ড নিয়ে কেনো কথা বলবে, আমরা আউটফিল্ড নিয়ে ইতোমধ্যে সতর্কতা সংকেত পেয়েছি। সামনে ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে ঢাকার এই স্টেডিয়ামে খেলা বন্ধও হয়ে যেতে পারে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।’

গতকাল বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের ত্রিদেশীয় সিরিজের সংবাদ সম্মেলনে মিরপুরের পিচ নিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘পিচ বা আউটফিল্ড, মাঠ সংক্রান্ত সবকিছু নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড সবসময় সতর্ক। আমরা নিয়মিত তদারকি করি আমাদের আলাদা কমিটিই রয়েছে তারা রিপোর্ট দিয়ে থাকেন।’

মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘দেখুন কদিন আগেই মেলবোর্নের পিচ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, এটা আইসিসির নিয়মিত কাজের অংশ। এটা নিয়ে আমরা সতর্ক।’

মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্রাউন্ডস ম্যানেজার সৈয়দ আব্দুল বাতেন। আজ বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন যে কোনো মাঠই সবসময় একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে যায়, যেখানে বৃষ্টি বা আবহাওয়া বড় একটা নিয়ামক। তাই মাঠ সবসময় এক অবস্থায় থাকে না।

তিনি বলেন, মিরপুরের আউটফিল্ড এখন অনেক ভালো। বিপিএলে ভালো রান হয়েছে। আমরা আশা করি আর কেউ মিরপুরের মাঠ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না। সামনে সিরিজ আছে সেখানেই প্রমাণ পাবেন।

২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এই স্টেডিয়ামে ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজিত হয়ে আসছে। উৎস : বিবিসি বাংলা

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *