340450

দল থেকে বহিষ্কার আ.লীগ নেত্রী কেকা

জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শারমীন মৌসূমী কেকাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অ’ভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় শহরের টাউন হলের জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহআলম। সভায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ২৪ সেপ্টেম্বর জন্মদিন পালন এবং আগামী ১ অক্টোবর শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদের ঝালকাঠি সফর উপলক্ষে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানাগেছে, গৃহবধূকে অ’পহর’ণ করে মুক্তিপণ আদায় করে মাথার চু’ল কে’টে দেয়ায় আদালতে মা’মলা এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে শহীদ মিনার ভেঙে স্টল নির্মাণ করায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন মৌসূমী কেকাকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বিতর্কিত হওয়ায় দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অ’ভিযোগে আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন মৌসূমী কেকাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল জানান, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন মৌসূমী কেকাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বি’রু’দ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট রাত ৮টার দিকে এক গৃহবধূকে জি’ম্মি করে সা’রারাত নি’র্যাতন শেষে মুক্তিপণ আদায় ও মাথার চু’ল কে’টে শরী’রের বিভিন্ন স্থানে চুন মাখিয়ে দেন আওয়ামী লীগ নেত্রী শারমিন মৌসূমী কেকা ও তার লোকজন। এ সময় ওই নি’র্যা’তিত নারীর বিনীত অনুরোধে তার প্রাণ ভিক্ষা দেয়ার কথা বলে এ কথা কাউকে জানালে আ’গুন ধরিয়ে দেয়ারও হু’মকি দেয়া হয়।

এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর ওই নি’র্যা’তিত নারী বাদী হয়ে ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শারমিন মৌসূমী কেকাসহ ৬ জনের নামে অ’ভিযোগ দায়ের করলে আদালত মা’মলাটি নথিভুক্ত করে বাদীকে নিরাপত্তা দিতে সদর থানা পুলিশের ওসিকে নির্দেশ দেন। রাতেই সদর থানায় মা’মলাটি রেকর্ড (নং-১০, তারিখ-১৭.৯.২০ইং) করেন ওসি মো. খলিলুর রহমান। এরপর থেকে আ’সামিরা পলাতক রয়েছেন। জাগো নিউজ

 

ad

পাঠকের মতামত