স্বামীর তাণ্ডবে প্রাণ গেল মেয়ের, স্ত্রীসহ আরও ২ মেয়ে জখম
পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে নাজিমুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় রাগের বসে তার ৬ মাস বয়সী মেয়ে রত্নাকে মাটিতে আছাড় মারায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে হয় তার। ঘটনার পর থেকেই নাজিমুল পালাতক রয়েছেন।আজ সোমবার সকালে উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের পূর্বজয়ধরভাঙ্গা এলাকায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটে।নিহত শিশুর নাম- রত্না। আহতরা হলেন- নাজিমুলের স্ত্রী রশিদা বেগম (৩০) ও দুই মেয়ে নাজিরা বেগম (১০) ও রিয়া মনি (৫)। তাদের প্রথমে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী নাজিমুল ইসলামের (পাথর শ্রমিক) সঙ্গে স্ত্রী রশিদা বেগমের প্রায়ই ঝগড়া হতো। প্রতিনিয়ত ঝগড়ার অংশ হিসেবে আজ সকালে তাদের মধ্যে ঝগড়া বাধলে, স্বামী নাজিমুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী রশিদা বেগম ও দুই মেয়ে নাজিরা বেগম এবং রিয়া মনিকে কুপিয়ে জখম করে। এরপর ছোট মেয়ে রত্মাকে মাটিতে আছড়ে মারলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা গিয়ে তাদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা দুই মেয়েসহ মাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. মনসুর আলম জানান, চারজন রোগীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। মারামারির ঘটনা বলে আমরা শুনেছি। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। রত্না নামে ৬ মাসের এক শিশু মারা গেছে।
পঞ্চগড় থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জব্বার জানান, স্বামী নাজিমুল স্ত্রীসহ ২ মেয়েকে কুপিয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান চলছে। পলাতক থাকায় স্বামী নাজিমুলকে আটকের চেষ্টা চলছে।




