191262

সম্পর্কের চারটি বড় সমস্যা ও তা দূর করার উপায়

একজন মানুষের সঙ্গে অন্যজনের সম্পর্ক থাকলে জটিলতা থাকবেই। আর এ জটিলতা কাটানোর কিছু উপায়ও রয়েছে হাতের কাছে। এ লেখায় রয়েছে তেমন কিছু সমস্যা ও তা দূর করার উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

১. সমালোচনা
সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সমস্যা সমালোচনা। এটি সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যার একটি। এ সমস্যায় সম্পর্ক অবনতি ঘটে এবং কোনো কোনো সময় তা সম্পূর্ণ নষ্টও হতে পারে। পুরুষের তুলনায় অনেক সময় নারীরা বেশি সমালোচনা করেন। তবে সমালোচনা যেই করুক না কেন, তা অবশ্যই সংযতভাবে করা উচিত। প্রয়োজনে এ কাজ বাদ দিলে সম্পর্ক অনেকদূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

২. প্রতিহত করা
সমালোচনা বা কোনো আঘাতের প্রতিক্রিয়ায় এ ধরনের কাজ হতে পারে। এক পক্ষ যখন কোনো কাজ করে তখন তার বদলে এ কাজটি করা হয়। এটি মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। সাধারণত দুটি উপায়ে এটি হয়। প্রথমত পাল্টা আক্রমণ করা ও দ্বিতীয়ত অবস্থার শিকার হওয়া।

৩. ঘৃণা-অবজ্ঞা
দুজন ব্যক্তি যদি একজন অন্যজনকে ঘৃণা বা অবজ্ঞা করেন তাহলে তা সম্পর্ককে জটিলতার দিকে নিয়ে যায়। এতে সম্পর্ক হুমকির মুখোমুখি হয়ে পড়ে এবং তা কখনো কখনো টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ধরনের আচরণে একজন অন্যজনকে হেয় করে তোলে এবং নানাভাবে একে অন্যের জীবন বিষিয়ে তোলে।

৪. দেয়াল তৈরি
দুজন মানুষের সম্পর্কের মাঝে প্রায়ই দেয়াল তৈরি হয়ে যায়। এ দেয়াল একবার তৈরি হয়ে গেলে তা ভেঙে ফেলা কঠিন। ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে পুরুষেরা এ দেয়াল তৈরি করেন।
সমস্যাগুলো সমাধানের উপায়
দুজন মানুষের মাঝে এসব সমস্যা গড়ে উঠলেই যে তা আর উন্নতি হবে না, এমন কোনো কথা নেই। এখানে থাকছে তেমন তিনটি উপায়-

১. সঙ্গীকে জানুন
সুষ্ঠু সম্পর্কের জন্য নিজেকে জানার মতোই সঙ্গীকে জানার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এতে উভয়ের রসায়ন যেমন জানা যাবে তেমন কিভাবে কথা বললে, কিভাবে চললে সঙ্গী সঠিকভাবে আপনার বিষয়গুলো বুঝতে পারবে, এটা জানা সহজ হবে।

২. সাড়া
একে অন্যের মনোভাব জানার জন্য চেষ্টা করা ও প্রয়োজনীয় মুহূর্তে সাড়া দেওয়া সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি অনেকটা ভিডিও গেমের মতো। আপনি যতখানি চেষ্টা করবেন, অপর দিক থেকেই ততখানি সাড়া পাবেন।

৩. সম্মান করা
সম্পর্কের উন্নয়নে একে অন্যকে সম্মান করার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যদি সঙ্গীকে সম্মান করেন তাহলে তিনিও আপনাকে সম্মান করবেন বলে আশা করা যায়। এ বিষয়টি অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে না হতে পারে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে বিষয়টি যথেষ্ট কার্যকর।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *