184518

আজব কাণ্ডঃ শাকিবের বিয়ে ১৬ মার্চ, অপুর ১৮ এপ্রিল!

বিনোদন ডেস্ক : শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিচ্ছেদের সংবাদে মিডিয়া তোলপাড়। তাদের এই সংবাদ প্রকাশ করে বিস্ময় প্রকাশ করেছে কলকাতার শীর্ষ পত্রিকা আনন্দবাজারও। ঢাকাই মিডিয়াও থেমে নেই এই ঘটনার অস্ত্রপ্রচার করতে। শাকিব অপুর সহকর্মীরাও জানাচ্ছেন তাদের মতামত।

ক্ষেত্র বিশেষে দুই জনকেই দোষ দিলেও এই ঘটনায় খুশি নন কেউ। প্রশ্ন চলে আসে এক বছর বয়সী শিশু সন্তান জয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে। এদিকে তাদের তাদের বিয়ের তারিখ নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। ২০১৭ এর ১০ এপ্রিল ছেলে আব্রাম খান জয়কে সঙ্গে নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলে লাইভে এসে শাকিবের সঙ্গে প্রেম, বিয়ে ও তাদের সন্তান হওয়ার পুরো ঘটনা বর্ণনা করেন অপু বিশ্বাস।

তখন সেই ঘটনা হয়ে ওঠে টক অব দ্য টাউন। অপু বিশ্বাস সেই অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গায় বলে এসেছেন তাদের বিয়ে হয়েছিল ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল, শুক্রবার। বিয়ের স্থান ছিল শাকিবের বাসা, যেখানে সাক্ষী ছিলেন অপুর মেঝ বোন, শাকিবের চাচাত ভাই এবং উকিল বাবা ছিলেন প্রযোজনা ব্যবস্থাপক মামুনুজ্জামান মামুন। সম্প্রতি চ্যানেল আই এর ‘সাময়িকী’ অনুষ্ঠানেও তিনি এই তথ্যই দিয়েছেন।

কিন্তু, গত প্রায় নয় মাস ধরে দেয়া অপুর এই তথ্যের সাথে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে শাকিব খানের ডিভোর্সের অনুমতি পত্রে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন বরাবর শাকিবের ডিভোর্স দেয়ার অনুমতি পত্রটিতে দেখা যায়, শাকিব বলছেন ২০০৮ সালের ১৬ মার্চ তিনি অপু বিশ্বাসকে মুসলিম শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে করেছেন।

এখানেই আবার নতুন করে জল্পনা! এতদিন ধরে গণমাধ্যমকে বলে ১৮ এপ্রিল বিয়ের তারিখ বলা অপু কী মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিলেন? নাকি নিজের বিয়ের তারিখটিও আসলে ভুলে গেছেন শাকিব খান? সিটি কর্পোরেশনের কাছে দেয়া আবেদন পত্রে কি আসলেই ভুল লিখেছেন শাকিব?

এমন প্রশ্ন এখন ভিড় করছে শাকিব-অপুর ভক্ত, দর্শক ও দেশের সিনেমা প্রেমী জনগণের মনে। একের পর এক ঘটনার বেড়াজালে শেষ পর্যন্ত বিয়ের তারিখ নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়। পর্দার জুটি বাস্তবেও যেন ক্রমাগত সিনেমার গল্প বুনে যাচ্ছেন নিজেদের জীবন নিয়ে।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *