333832

ধ’র্ষণে’র পর অন্তঃসত্ত্বা, লজ্জায়-অপমানে কিশোরীর আ’ত্মহ’ত্যা

নিউজ ডেস্ক।। রংপুরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝু’লন্ত লা’শ উদ্ধারের পর বেরিয়ে এসেছে চা’ঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেশী কলেছাত্র সুজিত দীর্ঘদিন তাকে ধ’র্ষণে’র পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে লজ্জায়-অপমানে মেয়েটি আ’ত্মহ’ত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

সুরতহাল রিপোর্টে ধ’র্ষণে’র আলামত মিলেছে। কিন্তু মা’ম’লা হলেও অ’ভিযুক্ত সুজিত গ্রে’ফতার না হওয়ায় খুলছে না রহস্যের জট।

জীবিকার প্রয়োজনে বাবা-মা ঢাকায় থাকায় রংপুর নগরীর মনোহর বাবুপাড়ায় চাচার বাড়িতে থাকতো সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী পূর্ণিমা। গত শনিবার দুপুরে ঘরে তার ঝু’লন্ত ম’রদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। ওই ঘরেই পাওয়া যায় প্রতিবেশী কলেজছাত্র সুজিতের মোবাইল ফোন। ওইদিন থেকে সুজিত পলাতক।

শনিবার রাতেই পূর্ণিমার বাবা বাদী হয়ে ধ’র্ষণে’র পর আ’ত্মহ’ত্যার প্ররোচনার অ’ভিযোগে থানায় মা’মলা করেন। ময়নাত’দন্তের পর রোববার মরদেহের সৎকার করা হয়। ঘটনার চারদিন পেরুলেও অ’ভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, ময়নাত’দন্তের রিপোর্টের পর জানা গেছে পূর্ণিমাকে ধ’র্ষণের পর হ’ত্যা করা হয়েছে।

পূর্ণিমার মা জানান, আমার মেয়ের মতো আরও অনেক মেয়ে আছে; এটা বিচার না হলেও এরকম ঘটনা আরও ঘটবে।

সুরতহাল রিপোর্টে পূর্ণিমাকে ধর্ষণের আলামত পেয়েছে পুলিশ। তাদের ধারণা দীর্ঘদিন ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিযুক্ত সুজিতের প্ররোচণায় আত্মহত্যা করে মেয়েটি।

মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলম, এটা খুবই স্পর্শকাতর মা’মলা। যাকে তাকে গ্রে’ফতার করা যাবে না। এখানে আ’লামতে বিষয় আছে; ত’দন্ত করে অ’ভিযুক্ত করে বের করতে হবে।

পূর্ণিমার ব্যবহৃত একটি ডায়েরিতে প্রেম-ভালোবাসা উক্তির নিচে ইংরেজি অক্ষরে পি ও এস লেখা পাওয়া যায়। অ’ভিযুক্ত সুজিতের বাড়িতে গিয়ে কাউকেই পাওয়া যায়নি। সময়নিউজ।

ad

পাঠকের মতামত