মে’রে ফেলার হু’ম’কি দিয়ে নারীকে ‘ধ’র্ষ’ণ’
নিউজ ডেস্ক।। স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে গত পাঁচ মাস আগে সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে আসেন লিপি (ছদ্মনাম)। মানিক মিয়া নামের এলাকার এক ট্রাকচালকের চোখ পড়ে তার ওপর। সুযোগ বুঝে লিপিকে ধ’র্ষ’ণ করেন তিনি। পরে তার নামে ট্রাক লিখে দেওয়ার কথা বলে পালিয়ে যান মানিক।
বগুড়ার শেরপুর জেলায় ঘটা এ ঘটনায় প্রথমে গ্রাম্য মাতব্বরদের কাছে বি’চা’র চান ভুক্তভোগী। কিন্তু তারা কালক্ষেপণ করায় থানায় মা’ম’লা দা’য়ের করেন ওই নারী। কিন্তু অ’জ্ঞাত কারণে তার পক্ষে পুলিশ কোনো আ’ইনি ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে অ’ভিযো’গ উঠেছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অ’ভি’যোগ করেন ওই নারী।
লিপির অ’ভি’যোগ, তাকে গত ২৯ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ধ’র্ষ’ণ করেন মানিক মিয়া। তিনি ধুনট উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভু’ক্তভো’গী নারী বলেন, মানিক মিয়া প্রায় ১৫ বছর ধরে শেরপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থেকে ট্রাক কিনে ব্যবসা করে আসছেন। গত পাঁচ মাস আগে স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে সন্তানসহ বাবার বাড়ি চৌবাড়িয়া গ্রামে ফিরে আসেন লিপি। মানিক তাকে কয়েকদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করার পর দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্র’লোভ’ন ও কু-প্র’স্তাব দিয়ে আসছিলেন। রাজি না হওয়ায় গত ২৯ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে লিপির বাবার বাড়ির দরজা কে’টে তার ঘরে ঢোকেন মানিক। সেখানে তার গ’লায় ছু’রি ধরে মেরে ফে’লা’র হু’ম’কি দিয়ে তাকে ধ’র্ষ’ণ করেন।
ভুক্তভোগী আরও জানান, ধ’র্ষণে’র পর নিজের ট্রাক তার নামে লিখে দেওয়ার কথা বলে পালিয়ে যান মানিক মিয়া। ঘটনাটি পরবর্তীতে বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজন জানান তিনি। পরে গ্রাম্য মাতব্বর ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য খলিলুর রহমান ও পুটু মিয়াসহ কয়েকজনের কাছে ঘটনার অ’ভিযো’গ জানিয়ে বি’চা’র দাবি করেন লিপি। কিন্তু তারা কোনো উদ্যোগ না নিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকে।
এরপর গত ৩ মে রাতে মানিক মিয়াকে আ’সা’মি করে শেরপুর থানায় একটি অ’ভিযো’গ দা’য়ের করেন লিপি। এর পরিপ্রেক্ষিতে শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজাহার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও অ’ভিযো’গের ১৬ দিন পার হয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না বলে সংবাদ সম্মেলনে অ’ভিযো’গ জানান লিপি।
ওই নারী অ’ভিযো’গ করেন, মানিক মিয়া এলাকায় প্রভাবশালী ও শহরের কতিপয় নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা থাকায় অজ্ঞাত কারণে তার বি’রু’দ্ধে আ’ইনি ব্যবস্থা নিতে পারছে না পুলিশ। এ অবস্থায় তিনি জীবনে শ’ঙ্কাবোধ করছেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার এসআই আজাহার হোসেন বলেন, ‘ধ’র্ষণে’র ঘটনায় একটি লিখিত অ’ভিযো’গ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করা হয়েছে। আ’সামি’কে গ্রে’প্তা’রের চেষ্টা চলছে। শিগগির তাকে গ্রে’প্তা’র করা হবে।’ উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।




