প্রিজাইডিং অফিসারসহ পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা
নির্বাচনী দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পথে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির বাঘাইহাটে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে প্রিজাইডিং অফিসারসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও ১০ জন। তাদের মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্য, তিনজন আনসার সদস্য, দুজন নারী ও একজন শিশু রয়েছে। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাঘাইছড়ির রূপকারী ইউনিয়নের দিঘিনালা-মারিশ্যা সড়কের নয় মাইল নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার খবর শুনেছি, তবে কত জন আহত হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতদের বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহতদের মধ্যে সাজেক কংলাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার আবদুল হান্নান আরবের নাম পাওয়া গেছে। পাহাড়ের আঞ্চলিক দল সন্তু লারমার জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সমর্থিত চেয়ারম্যান, দুই ভাইস চেয়ারম্যান ও এক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের নির্বাচন বর্জনের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটলো।
আজ সকাল ১০টার দিকে বাঘাইছড়িতে জেএসএস সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী বড়ঋষি চাকমা (দোয়াতকলম), ভাইস চেয়ারমান্য সমিরণ চাকমা (বই), অমরশান্তি চাকমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুমিতা চাকমা (প্রজাপতি) ভোট বর্জন করেন। জাল ভোট, রাতেই ভোটবাক্স পূর্ণ করে কেন্দ্রে আনা, কেন্দ্রে ভোটারদের আসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তারা। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সংস্কারপন্থী জনসংহতি সমিতির (জেএসএস, এমএন লারমা) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সুদর্শন চাকমা।




