272454

এবার মেয়র আরিফ ভাঙছেন শাহজালাল মাজারের রাস্তা, যা আছে পরিকল্পনায়

সিলেটের মেয়র আরিফ এবার শাহজালাল (র.) এর মাজারের রাস্তা ভাঙতে শুরু করেছেন। সৌন্দর্যবর্ধন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই তার এই ভাংচুর। শনিবার দলবল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েছেন তিনি।আধ্যাত্মিক রাজধানী হিসাবে পরিচিত সিলেট দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন এলাকাও। পর্যটন নগরী হিসাবে এই পূণ্যভূমির খ্যাতি বিশ্বজোড়া। বিশেষ করে সিলেটের প্রতিবেশি উপজেলাগুলোর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে যারা আসেন তাদের অনেকেই মাজার ভক্ত।

তারা জেয়ারতের পাশাপাশি এ এলাকায় অবস্থান করতে বা রাত কাটান। রাষ্ট্রীয় অতিথি, প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দ মাজার জিয়ারতের মাধ্যমেই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করেন। আসেন বিদেশী অতিথিরাও।চৌহাট্টা পয়েন্ট থেকে দরগাগেইট হয়ে যে রাস্তাটি মাজারে প্রবেশ করেছে, একসময় তা ছিল সরু। কোনমতে দুটি রিকশা যাতায়াত করতে পারত। এরপর বিভিন্ন সময়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসাবে রাস্তাটি প্রশ্বস্ত করা হয়েছে।

দু’দিকে ছোট ড্রেনের জায়গায় হয়েছে বড় ড্রেন। মোটামুটি রাস্তার আকার নিয়ে অসন্তুষ্টির তেমন একটা সুযোগ এখন আর নাই। যদিও বিভিন্ন উপলক্ষ্যে এদিকে হাঁটাচলাও দায় হয়ে পড়ে। সেটি বিশেষ বিশেষ দিন কেন্দ্রীক।এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে মাজার এলাকার অবকাঠামোগুলোর সৌন্দর্যবর্ধনের প্রয়োজনীয়তা যেমন অনুভব করছেন সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, তেমনি সাধারণ নাগরিকেরাও।

আর এই তাগাদা থেকেই কাজ শুরু করলেন মেয়র। শুরুতে তিনি স্থানীয়দের জানিয়ে দিয়েছেন সৌন্দর্যবর্ধনের কাজটি বাস্তবায়ন করতে ১৫/১৬ দিন সময় লাগবে। এতে এই এলাকার বাসিন্দা, বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এজন্য মেয়র অগ্রীম দুঃখ প্রকাশ করে কাজটির শেষ পর্যন্ত সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে অবশ্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন। এ ব্যাপারে দরগাগেইটের হোটেল হলিগেইটের রিসিপসনিষ্ট জাহেদ বলেন, ব্যবসার লাভ-ক্ষতি নিয়ে আমরা কিছু বলতে পারবোনা। ম্যানেজমেন্ট বলতে পারবেন। তাদের রবিবার দুপুরে পাওয়া যাবে।তবে ব্যক্তিগত মতামত জানিয়েছেন জাহেদ। তার মতে সৌন্দর্যবর্ধন হলেতো ব্যবসায়ীদের অখুশি হওয়ার কথা নয়। মাত্রতো দুই সপ্তাহ। এটি সবাই সমর্থন করবেন বলেই তার ধারণা।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকটি সূত্র বলেছে, কাজটি অবশ্যই অভিনন্দনযোগ্য। তবে নির্ধারিত সময়ে অতিরিক্ত লাগলে আমাদের বড়ধরণের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।বিষয়টি মেয়র আরিফসহ সবার বিবেচনায় রাখতেও তারা আহ্বান জানিয়েছেন।

ad

পাঠকের মতামত