নায়করাজ স্মরণে শাকিবের আবেগঘন বার্তা
বাংলাদেশের সিনেমা অঙ্গনে দুই ভিন্ন প্রজন্মের দুই প্রধান স্তম্ভ নায়করাজ রাজ্জাক ও শাকিব খান। ষাটের দশক থেকে শুরু করে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত ঢাকাই সিনেমাকে এককভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাজ্জাক। আর শাকিব খান একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ঢালিউডে রাজত্ব করছেন। নায়করাজের মৃত্যুর আগে এ দুই কিংবদন্তি একসঙ্গে ‘জানের জান’, ‘বাপ বেটির যুদ্ধ’, ‘মায়ের জেহাদ’সহ ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন।
আজ (২১ আগস্ট) নায়করাজ রাজ্জাকের নবম মৃত্যুবার্ষিকী। কিংবদন্তি এই অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। নিজের অনুভূতি ও স্মৃতিকথা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নায়করাজের প্রতি।
শাকিব খান লেখেন, ‘নায়করাজ রাজ্জাক আঙ্কেলকে হারানোর নয় বছর আজ। তাকে হারানোর শূন্যতা আজও সমানভাবে অনুভব করি। তিনি শুধু একজন কিংবদন্তি নায়ক ছিলেন না, ছিলেন আমাদের চলচ্চিত্রের অভিভাবক, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার এক বিশাল আশ্রয়।’
নিজের ব্যক্তিজীবনে রাজ্জাকের প্রভাব স্মরণ করে শাকিব আরও লেখেন, ‘তিনি ছিলেন আমার মাথার ওপর ছায়ার মতো। স্নেহ দিয়েছেন, আগলে রেখেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন। তাকে হারানোর বেদনা আমার কাছে নিজের অভিভাবক হারানোর মতো খুবই ব্যক্তিগত।’
কিংবদন্তি এই অভিনেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে শাকিব খান আরও যুক্ত করেন, ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যতদিন থাকবে, নায়করাজ ততদিনই থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের অহংকার হয়ে। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি আপনাকে। শান্তিতে থাকুন, আমাদের প্রিয় নায়করাজ।’
উল্লেখ্য, ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কলকাতায় জন্ম নেওয়া রাজ্জাকের ক্যারিয়ার শুরু হয় ছোটপর্দায়। এরপর অর্ধশতকের যাত্রায় প্রায় ৩০০ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন নায়করাজ রাজ্জাক। এ ছাড়া পাঁচবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয়।








