342528

বাংলাদেশি রোগীর অভাবে ফাঁকা কলকাতার হাসপাতাল

কলকাতার বাইপাস সড়কের পাশের মুকুন্দপুর এলাকায় বছরজুড়েই দেখা যেত বিদেশি রোগীদের আনাগোনা। হাসপাতাল পল্লি হিসেবে পরিচিত এ এলাকাতেই আর এন টাগর, দেবী শেঠি, মেডিকা, আমরি, পিয়ালেসসহ নামিদামি নানা বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রের অবস্থান। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে বদলে গেছে দৃশ্য।

জানা যায়, এসব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের ৪০ ভাগই বিদেশি রোগী। এদের ৩৫ ভাগই বাংলাদেশি। উন্নত চিকিৎসা নিতে শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান থেকেও বহু রোগী ভিড় করতেন নিয়মিত।

কিন্তু করোনার কারণে গত ১৪ মার্চ থেকে ভারত সরকার বিদেশিদের জন্য সব ধরনের সাধারণ পর্যটন ভিসা বন্ধ করে দেয়। পহেলা জুন থেকে দেশটি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করলেও বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা না পাওয়ায় এসব চিকিৎসা কেন্দ্রে দেখা নেই বাংলাদেশি রোগীর!

আর এন টাগর হাসপাতালে চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, একটা বড় ধাক্কা সবাই খেয়েছে। যোগাযোগ স্থাপন করা আর যাচ্ছে না। কারণ সবকিছু ব্যাহত হচ্ছে লকডাউন আরোপের পর থেকে। এ ধাক্কা, সেটা অর্থনীতির পাশাপাশি শারীরিক নানা অসুখে যারা ভোগছেন তারাও কিন্তু আজকে অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন।

মুকুন্দপুরের একটি নামি হাসপাতালের কলকাতা এলাকায় ৫টি শাখা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার স্টাফ কাজ করেন। প্রতি মাসে তাদের আয় ৩০ কোটি রুপি। এর মধ্যে শুধু বাংলাদেশি রোগীদের কাছ থেকেই প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি রুপি আয় হতো। জানা গেছে, বাকি হাসপাতালগুলোর চিত্রও এখন একই রকম।

ad

পাঠকের মতামত