341626

গণধ’র্ষ’ণের শিকার তরুণীর ম’রদে’হ ছি’নিয়ে নিয়ে পো’ড়াল পুলিশ

ভারতে পুলিশের বি’রু’দ্ধে গ’ণ’ধর্ষ’ণের শি’কার এক তরুণীর ম’রদে’হ পু’ড়িয়ে ফে’লার অ’ভিযোগ উঠেছে। হাথরসে অঞ্চলে গ’ণধ’র্ষ’ণের এ ঘ’টনা নিয়ে গড়িমসি করলেও গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতে তরুণীর ম’র”দে’হ পু’ড়িয়ে ফেলে পুলিশ। এ ছাড়া এ ঘ’টনার সময় তরুণীর আত্মীয়-স্বজন এবং গ্রামবাসীদরা বাধা দিতে গেলে তাদের একটি ঘরে ঢু’কিয়ে আ’টকে রাখা হয়। তরুণীর বাবাকেও তুলে নিয়ে গেছে অঞ্চলটির পুলিশ।

কলকাতার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকায় জানিয়েছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ওই তরুণীকে গ’ণধ’র্ষণ করে হাথরসে এলাকার ৪ যুবক। শা’রীরিক অ’ত্যা’চারও চালানো হয় তার উপর। পরে শ্বা’সরো’ধ করে তাকে হ’ত্যা’র চে’ষ্টা করে তারা। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গেলে দেখা যায়, তরুণীর মু’খের একাধিক জায়গা এবং জি’ভ কা’মড়ের গভী’র ক্ষ’ত। ভু’ক্তভো’গীর দুই পা এবং একটি হাত অসাড় ছিল। শি’রদাঁ’ড়া এবং ঘাড় মা’রাত্মক’ভাবে ক্ষ’তিগ্র’স্ত হয়েছিল। প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃ’ত্যু হয় তরুণীর।

আনন্দবাজার পত্রিকা আরও জানিয়েছে, গতকাল মৃ’ত্যুর পর রাত ১০টা ১০ মিনিটে তরুণীর ম’রদে’হ তার পরিবারের হাতে ছেড়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ম’রদে’হ নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে ঝা’মেলা বাঁ’ধে মৃ’তের পরিবারের।

মৃ’তের বাবার অ’ভিযোগ, তাদের কিছু না জানিয়েই পুলিশ তার মেয়ের মৃ’তদে’হ নিয়ে চলে যায়। হাসপাতালের সামনে তারা অ’বরোধ করলে পরে সেখান থেকে তাদের সঙ্গে নিয়ে হাথরসের উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ।

ম’রদে’হ হাথরসে পৌঁছলে ভু’ক্তভো’গীর পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-স্বজন এবং গ্রামবাসীরা পুলিশকে ঘিরে বি’ক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তাদের দাবি ছিল সুবিচার না পাওয়া পর্যন্ত মেয়েকে দা’হ করবেন না তারা। শুরুর দিকে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক থাকলেও মধ্যরাতে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। পরিবারের লোকজন-গ্রামবাসীদের উপেক্ষা করেই পুলিশ মৃ’তের দে’হ ছি’নিয়ে নিয়ে পু’ড়িয়ে দেয়।

এ সময় ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন, আ’ত্মীয়-স্বজন এবং গ্রামবাসীদের তালাব’ন্ধ করে রাখে পুলিশ। রাত তিনটার দিকে মৃ’তের দে’হ পো’ড়ায় পুলিশ।

এ ঘ’টনার তী’ব্র নি’ন্দা জানিয়ে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি টুইটারে লিখেছেন- ‘ভারতের এক কন্যাকে ধ’র্ষণ করে খু’ন করা হলো। সমস্ত তথ্য চেপে দেওয়া হলও, এমনকি মেয়ের সৎ’কারের অধিকারও কে’ড়ে নেওয়া হলো পরিবারের কাছ থেকে, যা অত্যন্ত অ’প’মানজনক এবং অ’ন্যায়পূর্ণ।’

কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধি লিখেছেন- ‘হাথরস নি’র্যাতিতা যখন মা’রা যান, তখন ওর বাবার সঙ্গে ফোনে কথা হচ্ছিল আমার। ফোনে ওর কান্না শুনেছিলাম। আমাকে বলছিলেন, উনি শুধু মেয়ের জন্য সু’বিচার চান। গতকাল রাতে শেষবারের জন্য মেয়েকে বাড়িও নিয়ে যেতে পারেননি তিনি। নিজে হাতে শে’ষকৃ’ত্যও সম্পন্ন করতে পারেননি।’

গ’ণধ’র্ষ’ণের ঘ’টনাটি নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা, রাজনৈতিক দল নি’ন্দা করছেন। তবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ’ভি’যোগ, এই ঘ’টনাকে হা’তিয়ার করে কিছু লোক রাজনৈতিক সুবিধা নিতে নেমে পড়েছেন।

ad

পাঠকের মতামত