337985

চতুর্থ দফায় রি’মান্ড শেষে কারাগারে ওসি প্রদীপ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হ’ত্যা মা’মলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে চতুর্থ দফা রি’মান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র‌্যাবের তদন্তাধীন মা’মলায় রি’মান্ড শেষে প্রদীপকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।

মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) খায়রুল ইসলাম জানান, ‘সিনহা হ’ত্যার মা’মলায় আ’টক বরখাস্ত টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমারকে চার দফায় ১৫ দিনের রি’মান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে সে মা’মলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। আমরা সেসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছি। আজ মঙ্গলবার ছিল চতুর্থ দফায় একদিনের রি’মান্ডের শেষ দিন। রি’মান্ড শেষে আমরা তাকে আদালতের কাছে সোপর্দ করেছি। আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে।

তিনি জানান, ওসি প্রদীপ এ মা’মলার দুই নম্বর আ’সামি। সে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়নি।

এর আগে, সোমবার চতুর্থ দফায় তাকে একদিনের রি’মান্ডে নেয় র‌্যাব। গত ১৮ আগস্ট ওসি প্রদীপ, এস আই লিয়াকত ও নন্দদুলাল রক্ষিতের সাতদিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করা হয়। এরপর ২৪ আগস্ট ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশের দ্বিতীয় দফায় চারদিন করে রি’মান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় এই তিন আ’সামির তিনদিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই (ঈদুল আজহার আগের রাত) সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গু’লিতে নি’হত হন মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি মা’মলা করে। আর রামু থানায় একটি মা’মলা করা হয়। ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হ’ত্যা মা’মলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে ৯ জনকে আ’সামি করা হয়। এ মা’মলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রে’ফতার করেছে র‍্যাব।

ad

পাঠকের মতামত