333794

নারী চেয়ারম্যানের শ্লী’লতা’হানি, প্রতিমন্ত্রীর এপিএস-ভাগ্নের বি’রুদ্ধে মা’মলা

নিউজ ডেস্ক।। যশোরের মণিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা খানমের শ্লী’লতা’হানি, কু’রু’চিপূর্ণ অ’ঙ্গভ’ঙ্গি, গালিগালাজ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অ’ভিযো’গে প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে, এপিএসসহ পাঁচজনের নামে আ’দাল’তে মা’মলা হয়েছে।

গত সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মণিরামপুর আমলী আ’দালতে’র বিচা’রক মঞ্জুরুল ইসলাম ভুক্তভোগীর অ’ভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) ত’দন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মাম’লার পবরর্তী তারিখ ২০ অক্টোবর ধার্য করা হয়েছে। মা’মলা নম্বর সিআর ২৫০/২০।

মাম’লার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. আবদুল লতিফ।

মা’মলার আ’সামিরা হলেন—মণিরামপুরের ঝাঁপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল হক মন্টু, ভোজগাতি ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক, মণিরামপুর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জলি আক্তার, মণিরামপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু ও মণিরামপুরের মৃ’ত ইব্রাহিম খানের ছেলে কবীর খান। আ’সামি উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু যশোর-৫ আসনের এমপি ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যরে ভাগ্নে। আর কবির খান প্রতিমন্ত্রীর এপিএস।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ জুলাই মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সভাপতিত্বে মাসিক আ’ইন’শৃ’ঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য ও বাদী উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রথমে বাদী পৌর এলাকায় চারটি প্রতিষ্ঠানে চুরি সংঘটিত হওয়ার বিষয়ে আলোচনা করলে প্রশাসন এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় প্রতিমন্ত্রীসহ সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। হঠাৎ এজেন্ডা বর্হিভূত বিষয়ে এক নম্বর আসামি বাদী উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা খানমের পুত্র তার ফেসবুকে জনপ্রতিনিধিদের কটাক্ষ করে স্ট্যাটাস দিয়েছে বলে অ’ভি’যোগ করে বি’চার দাবি করেন।

এজেন্ডাবর্হিভূত বিষয় হলেও বাদী যুক্তিসঙ্গত জবাব দেন। এরপর আ’সা’মিগণ পূর্বপরিকল্পিতভাবে হ’ট্টগোল, হইচই করে জামার হাতা গু’টিয়ে বাদীকে গা’লিগা’লাজ ও মা’রপি’ট করতে যায়। আ’সামি’দের অপতৎপরতা বুঝতে পেরে বাদী দ্রুত মিলনায়তন ত্যাগ করে পাশে থাকা জিপ গাড়িতে উঠার সময় আ’সামি’রা পেছনে গিয়ে অ’শ্লী’ল ভাষায় গা’লিগা’লাজ করতে থাকে। আ’সামি’দের কু’রুচিপূর্ণ অ’ঙ্গভ’ঙ্গিমা, এমনকি বাদীর পরনের কাপড় টানাটানি করে শ্লী’লতা’হানি ঘটায়। আ’সামি’দের এমন কর্মকাণ্ডে উপস্থিত লোকজনের সামনে বাদী অ’পমাণিত ও ভী’ষণভাবে ল’জ্জা পেয়েছেন। টানা হেঁচড়ার এক পর্যায়ে বাদীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে মূল্যবান কাগজপত্র ও একটি শাওমি মোবাইল ফোন পড়ে যায়। তিন নম্বর আ’সা’মি মোবাইল ফোন ও মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, উপস্থিত আ’ই’নশৃঙ্খ’লার দায়িত্বে থাকা সদস্য ও স্বাক্ষীগণ উপস্থিত ছিলেন। আ’সা’মিরা দ্রুত মিলনায়তনে প্রবেশ করে। দু’র্নীতি’র বি’রু’দ্ধে শক্ত অবস্থানে থাকায় দু’র্নীতি’বাজ আ’সামি’গণ বাদীকে হে’নোস্তা করেছেন। উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।

ad

পাঠকের মতামত