333798

দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর মেয়রসহ পরিবারের ১৮ জন করোনায় আ’ক্রা’ন্ত

নিউজ ডেস্ক।। এবার করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হলেন দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী সরকার টুটুল। এর আগে রবি ও সোমবার মেয়রের স্ত্রী সন্তানসহ ওই পরিবারের ১০ জন আ’ক্রা’ন্ত হন। একই দিনে মেয়র পরিবারের ৭ আত্মীয় করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হন।

এদিকে আজ মঙ্গলবার বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক ডা. মো. শাহারিয়ার ফেরদৌস হিমেল, সোনালী ব্যাংক বিরামপুর শাখার দুই কর্মকর্তা এবং এক চিকিৎসকের মাসহ ৫ জন আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। এনিয়ে উপজেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৭৩ জনে। বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সোলায়মান হোসেন মেহেদী কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোলায়মান হোসেন মেহেদি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো নমুনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পৌর মেয়রসহ ৫ জনের করোনা শ’না’ক্তের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর আগে ওই পরিবারের আত্মীয়সহ মোট ১৮ জনের শরীরে করোনা পজিটিভ হয়। পৌর মেয়র গতকাল সোমবার করোনা পরীক্ষার জন্য শরীরের নমুনা দেন।

তিনি বলেন, ‘উপজেলায় সোনালী ব্যাংকের ১০ জন, অগ্রণী ব্যাংকের ১ জন, ইসলামী ব্যাংকের ১০ জন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, সমাজসেবা অফিসের দু’জন, ইউএনও অফিসের দু’জনসহ উপজেলায় ১৭৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শ’নাক্ত হয়। জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে করোনাভাইরাস শ’নাক্তের দিক থেকে বিরামপুর উপজেলা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। উপজেলায় করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্তে দু’জন মা’রা গেছেন।

এদিকে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাজমুন নাহার ও তার শিশুসন্তান এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পারুল বেগম করোনায় আ’ক্রান্ত হয়েছেন। নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৭৪ জন করোনা শ’নাক্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যেও দু’জন ব্যক্তি মা’রা গেছেন।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সং’ক্রমণ কমাতে উপজেলায় সকল হাট বাজারে মানুষকে শতভাগ মাক্সপরাতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়াও উপজেলাতে বিভিন্ন স্থানে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উৎস: কালের কণ্ঠ।

ad

পাঠকের মতামত