332107

পাঠাওয়ের ফাহিম হ’ত্যায় একজন গ্রে’ফতার

ডেস্ক রিপোর্ট।। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়কে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ হ’ত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রে’ফতার করেছে আ’ইনশৃ’ঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিউইয়র্ক পুলিশের হাতে আটক ব্যক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রে’ফতা’র দেখানো হয়নি এখনো।

এনওয়াইপিডি সূত্র জানিয়েছে, আ’টক ওই ব্যক্তিকে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বড় ধরনের কোনো ব্যবসায়িক লেনদেনের জে’রেই ফাহিম সা’লেহকে হ’ত্যা করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে ত’দ’ন্ত করে দেশটির গো’য়েন্দা’রা জানিয়েছে, পেশাদার খু’নি’র হাতেই খু’ন হন রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ।

তাদের ধারণা, খু’নি’র পরনে ছিল কালো পোশাক, মুখে ছিল কালো মাস্কও। ফাহিম সালেহর পিছু নিয়েই তিনি লিফটে চড়ে ম্যানহাটানের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। তবে দুদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কাউকে গ্রেফ’তা’র করতে পারেনি নিউইয়র্ক পুলিশ।

ফাহিম সালেহ হ’ত্যা’র রহস্য জট এখনও খোলেনি। তবে ত’দ’ন্তের এ পর্যায়ে জানা গেছে, খু’নি কালো জামা ও কালো মাস্ক পরে এসেছিলেন। আগে থেকে তাকে পিছু করা হচ্ছিল বলেও ধারণা পুলিশের।

নিউইয়র্ক পুলিশের ত’দন্তকা’রীরা ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে ত’ল্লাশি চালিয়ে আ’লামত সংগ্রহ করে নানান তথ্য দিচ্ছেন। আশপাশের রাস্তা ও ভবনে যতো সিসি ক্যামেরা আছে, সেগুলোর ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও এনওয়াইপিডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ফাহিমের অভিভাবকেরা বলছেন, ঘা’ত’ক কীভাবে ভবন থেকে পালালো তা জানতে হবে।

আর তদ’ন্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য, ফাহিমকে হ’ত্যা’র পর টুকরো টুকরো ম’রদেহ সুটকেসে ভরে কোথাও সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল খু’নি’র, যাতে তাকে নিখোঁজ উল্লেখ করা যায়। তবে খু’নি’র কাজ শেষ হওয়ার আগেই ওই অ্যাপার্টমেন্টে যাওয়ার জন্য কেউ নিচ থেকে কলিং বেল দিয়েছিলেন; সে শব্দেই ঘা’ত’ক সবকিছু ফেলে ভবনের পেছনের দরজা ও সিঁড়ি ব্যবহার করে পালিয়ে যান।

আপাতত ব্যবসায়িক কারণেই হ’ত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে নাইজেরিয়ার শ’ত্রুদে’র সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃ’ত্যু’র আগে ফাহিমের বি’রু’দ্ধে নিউ জার্সির এক কারাকর্মীর করা মা’ম’লা চলমান ছিল। ফাহিমের বি’রু’দ্ধে ২০১৭ সালে করা মা’মলা’য় ক্রিক ইডি নামে ওই ব্যক্তি প্র’তার’ণার অ’ভিযো’গ আনেন। ওই ব্যক্তির ভাষ্য, ফাহিমের তৈরি প্র্যাঙ্কডায়াল অ্যাপ ব্যবহারের সময় তিনি ভেবেছিলেন, তিনি যা করছেন, তা বৈধ। যদিও অ্যাপটি ব্যবহার করে ওই ব্যক্তি গো’পনে অন্যদের কথা রেকর্ড করেছিলেন।

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ১০ তলার ওই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের সপ্তম তলায় নিজ বাসায় ফিরেন ফাহিম। এরপর সারারাত এবং পরদিন মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত চেষ্টা করেও ফাহিমকে ফোনে না পেয়ে তার খালাতো বোন ছুটে আসেন ওই ভবনে। এরপর অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে আঁতকে ওঠেন ফাহিমের খণ্ড-বি’খণ্ড লা’শ পলিথিন ব্যাগে দেখে। সাথে সাথে ফোন করেন ফাহিমের ছোটবোন রিফ-সালেহ। দ্রুত চলে আসেন তিনি এবং এরইমধ্যে ৯১১ এ কল করা হয়।

ad

পাঠকের মতামত