যেভাবে মা’রা হয় জর্জ ফ্লয়েডকে
ডেস্ক রিপোর্ট।। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃ’ত্যু’কে ‘হ’ত্যাকা’ণ্ড’ (হোমিসাইড) আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহের মাথায় আনুষ্ঠানিক ম’য়নাতদ’ন্তের রিপোর্টে তার মৃ’ত্যু’কে ‘হ’ত্যাকা’ণ্ড’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশি নি’র্যাত’নে হৃদরোগে আ’ক্রা’ন্ত ফ্লয়েডের মৃ’ত্যু হয়েছে বলে ত’দন্ত রিপোর্টের বরাতে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
ম’য়নাত’দন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ আ’ট’ক করলে ৪৬ বছরের ফ্লয়েড হৃদরোগে আ’ক্রা’ন্ত হন। মৃ’ত্যু’র কারণ হিসেবে আ’ইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের গ’লায় চাপ বা আ’ট’কে ধরার কারণে দম বন্ধ হয়ে মৃ’ত্যু’র কথা উল্লেখ করা হয়। ম’য়নাত’দন্তে জর্জ ফ্লয়েডের হৃদরোগ ও সাম্প্রতিক মা’দ’ক গ্রহণের প্র’মাণও পাওয়া গেছে।
এই ঘটনার শুরু গত সোমবার। মিনিয়াপলিসে এক খাবারের দোকানের কর্মচারী ৯১১ এ কল করে অ’ভিযো’গ করেন, এক ক্রেতা সিগারেট কেনার পর ২০ ডলারের জাল নোট দিয়েছে। পুলিশ এসে ওই অ’ভি’যোগে ৪৬ বছর বয়সী জর্জ ফ্লয়েডকে গ্রে’প্তা’র করে।
জর্জ ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে শ্বা’সরোধ করে হ’ত্যা করেন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাওভিন। এক প্রত্যক্ষদর্শীর তোলা ১০ মিনিটের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জর্জ ফ্লয়েড নিশ্বাস না নিতে পেরে কাতরাচ্ছেন এবং বারবার শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তাকে বলছেন, ‘আমি নিশ্বাস নিতে পারছি না।’
ওই ঘটনায় অফিসার ডেরেক চাওভিনের বি’রু’দ্ধে অনিচ্ছাকৃত বা বেআইনি হ’ত্যা’র অ’ভিযোগ আনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাকে আ’দালতে তোলা হবে। এছাড়া তিন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসারকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে বলেছে, ঘটনাস্থলে পুলিশের গাড়ি আসার ৭২ মিনিট পর রাস্তায় তিন পুলিশের নিচে চাপা পড়ে থাকা ফ্লয়েড অচেতন হয়ে ছিলেন, তার মধ্যে প্রাণের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল না।




