325109

চীনা সেনা সদস্যকে মা’রধ’র করেছিলেন ভারতীয় সেনা সদস্যরা?

ডেস্ক রিপোর্ট।। মহামারি করোনার তা’ণ্ডবের মধ্যেই উত্তর-পূর্ব সীমান্তে মুখোমুখি চীনা ও ভারতের সেনারা। গত সপ্তাহের শুরুতেও লাদাখ অঞ্চলে তিব্বত সংলগ্ন সীমান্তে উ’ত্তেজ’না বড়তে থাকে। এরই মধ্যেই একটি ভিডিও সামনে এসেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ভারতের সেনা সদস্যরা চীনের এক সেনা সদস্যকে মা’রধ’র করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, দুই সপ্তাহ আগে প্যাংগং লেক নামক এলাকায় ভিডিওটি ধারণ করা হয়। তবে এই ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠছে। ভারতীয় সেনা পক্ষ থেকে মা’রধ’রের বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করা হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দেখা যায়, ভারতের সীমান্তের ভেতরে চীনের এক সেনাকে মাটিতে ফেলে মা’র’ধর করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে চীনের এক অ’স্ত্র সজ্জিত গাড়িতে আ’ঘা’ত করা হচ্ছে। তবে ভারতীয় সেনা বলছে এই ভিডিওটি ভু’য়া। ভারতীয় সেনাবাহিনী স্থানীয় গণমাধ্যমকে হুঁ’শিয়া’রি দিয়ে জানায়, ভুয়া ফুটেজ প্রচার করলে সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।

প্যাংগং লেকের সাম্প্রতিক ভিডিওটির কোনো তারিখ দেওয়া নেই। হতে পারে অযৌক্তিক। তবে বলা হচ্ছে, ভারতীয় বাহিনী সম্ভবত ইন্দো-তিব্বত নি’রাপত্তাবাহিনী এক চীনা সৈন্যকে আ’ক্রমণ করে দেখানোর পরিকল্পনা করেছে। এই ভিডিওটি টুইটারে যেখানেই প্রচারিত হয়েছে সেখানে চীনা অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এই ভিডিওটি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে প্রচার করা হয়ে থাকতে পারে।

বর্তমানে চীন-ভারত উ’ত্তেজনা বাড়ছেই। ১৯৭০ সালের পর চীন-ভারত কোনো যু’দ্ধ হয়নি। তবে বেশ কয়েকবার ডোকালম দিয়ে হাতাহাতি হয়। কিন্তু সত্তর দশকের পর গুলি চলেনি সীমান্তে। এদিকে, সম্প্রতি চীন-ভারত উ’ত্তেজনা বাড়ে ৯ মে। এদিন সিকিম রাজ্যে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে দুই দেশের কয়েক ডজন সেনা সদস্য আ’হত হন।

এই দু’দেশের উ’ত্তেজনার কেন্দ্র এখন লাদাখ সীমান্ত। গালওয়ান উপত্যকার চারপাশে সেনা উপস্থিতি বাড়াচ্ছে দুই দেশ। কিন্তু ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ নারায়ণ ‘অস্থায়ী ও স্বল্প-সময়ের মুখোমুখি অবস্থা’ অস্বীকার করেছেন।

উ’ত্তেজনা নিয়ে উভয় পক্ষই একে অ’পরকে দোষারোপ করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অঞ্চলে ভারতের নতুন রাস্তা তৈরি করছে। এটিই বিরোধের কারণ হতে পারে। উভয় পক্ষই এই অঞ্চলে শক্তিবৃদ্ধি এবং ভারী সরঞ্জাম প্রেরণ করেছে।

এই অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি চীন। তবে তাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, চীনা সেনারা এই অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে শান্তি ও প্রশান্তি বজায় রেখে চলছে। উৎস: ডেইলি মেইল ও কালের কণ্ঠ।

ad

পাঠকের মতামত