324563

প্রেমিকের সাথে বিয়ে করতে যাওয়ার পথে কলেজছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণ, মুক্তিপণ দাবী

নিউজ ডেস্ক।। ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় প্রেমিকের সাথে পালিয়ে বিয়ে করতে যাওয়ার পথে বখাটেদের কবলে পড়ে এক কলেজছাত্রী ধ’র্ষণে’র শি’কার হয়েছে বলে মা’ম’লা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই ছাত্রী, তার প্রেমিক ও প্রেমিকের এক বন্ধুকে অ’পহ’রণ করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অ’ভিযো’গও করা হয়েছে ওই মা’ম’লায়।

ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে ২৮ মে বৃহস্পতিবার রাতে অ’পহ’রণ, ধ’র্ষ’ণ ও চু’রি’র ধারায় (নারী ও শিশু নি’র্যাত’ন দম’ন আ’ইন এর ৭/৮/৯(১)/৩০ সহ পেনাল কোড ৩৭৯) এ মা’মলা’টি দায়ের করেছেন।

পুলিশ মা’মলা’য় অ’ভি’যুক্ত ১০ জনের মধ্যে মা-মেয়েসহ ৬ জনকে গ্রে’ফ’তার করেছে। উ’দ্ধা’র করা হয়েছে ধ’র্ষি’ত কলেজছাত্রী, তার প্রেমিক ও বন্ধুকে। ২৭ মে রাতে উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের পাটিখালঘাটা বাজার সংলগ্ন মাঝের পোল নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, জানান কাঁঠালিয়া থানার ওসি পুলক চন্দ্র রায়।

গ্রে’ফতারকৃ’তরা হলেন, পাটিকালঘাটা গ্রামের আফজাল মজাদ্দারের ছেলে মো. রিপন জমাদ্দার (১৯), বেল্লাল হোসেন হাওলাদারের ছেলে মো. রাকিব হাওলাদার (১৯), বাচ্ছু খানের স্ত্রী হোসনে আরা (৩৮) ও তার মেয়ে তানিয়া বেগম (২০), একই উপজেলার পশ্চিম চেচরী গ্রামের সারু খানের ছেলে বেল্লাল খান (২৩) এবং পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার গাজীপুর গ্রামের মো: মহারাজ হাওলাদারের ছেলে আক্কাস হাওলাদার (২৬)।

মা’মলা’র উদ্ধৃতি দিয়ে কাঁঠালিয়া থানার ওসি পুলক চন্দ্র রায় সময়নিউজকে বলেন, পিরোজপুর জেলার বইঠাকাটা উপজেলার একটি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী তার প্রেমিক মো. রিমন ওরফে তানভীর হাওলাদারকে বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে চলে আসে। একটি মোটরসাইকেলে করে মেয়েটি প্রেমিক মো. রিমন ও তার বন্ধু রায়হানের সাথে পিরোজপুরের বৈঠাকাটা থেকে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার প্রেমিক রিমনের বাড়িতে রওনা হয়।

২৭ মে রাত ১২টার দিকে ভুল করে কাঁঠালিয়া উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের পাটিখালঘাটা মাঝের পোল নামক স্থানে আসলে স্থানীয় ছালাম হাওলাদারের ছেলে মো. জনি হাওলাদার (২৩) মা’মলা’র আ’সামি’দের নিয়ে তাদের আ’ট’ক করে। এ সময় মা’মলা’র আ’সামী’দের সহযোগিতায় জনি ওই কলেজছাত্রীকে পার্শ্ববর্তী একটি জ’ঙ্গ’লে নিয়ে ধ’র্ষ’ণ করে। পরে ওই ছাত্রীটিকে হোসনে আরার বাড়িতে আ’ট’কে রাখা হয়। তার প্রেমিক রিমন ও বন্ধু রায়হানকে একটি কাঠের ঘরে বেঁ’ধে আ’টকে রাখে জনির নেতৃত্বে আ’সা’মীরা।

পরে প্রেমিক রিমন ও বন্ধু রায়হানের বাড়িতে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা করে এক লাখ টাকা মু’ক্তিপণ দাবী করে আ’সামী’রা। পরদিন ২৮ মে বিকেলে মু’ক্তিপণ দাবীর ৩০ হাজার টাকা নিয়ে রিমনের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে স্থানীয়দের সহয়তায় পুলিশ টাকা নিতে আসা রিপন জমাদ্দারকে আ’ট’ক করে। পরে আ’টক হয় অন্য ৫ জন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ওই কলেজছাত্রী, তার প্রেমিক ও বন্ধুকে উ’দ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে মা’মলা’র মূল আ’সামি জনিসহ ৪ জন এখনও প’লাতক রয়েছে।

আ’সামী’রা কলেজছাত্রীর প্রেমিক ও বন্ধুকে মা’রধ’র ছাড়াও নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে বলে মা’মলা’য় অ’ভিযো’গ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, মা’মলা’র বাকি আ’সামী’দের গ্রে’ফতা’রে চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি পুলক চন্দ্র রায়।  উৎস: সময়টিভি।

ad

পাঠকের মতামত