‘ধ’র্ষ’ণের’ পর নিস্তেজ শিশুটিকে গ’লা টি’পে ‘হ’ত্যা’ করে সুলতান
নিউজ ডেস্ক।। নেত্রকোনার বারহাট্টায় রায়পুর ইউনিয়নের প্রাইমারী স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী মনি আক্তারকে উ’পর্যুপরি ধ’র্ষণে’র পর গ’লা টি’পে হ’ত্যার’ ঘটনায় সুলতান মিয়া (২৬) নামের এক যুবককে আ’টক করেছে পু’লিশ।
সুলতান ওই ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার মৃ’ত আব্দুর রশিদের ছেলে। আটক সুলতান জবানবন্দীতে ধ’র্ষণে’র পর গলা টি’পে হ’ত্যা’র বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন পু’লি’শ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে পু’লি’শ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। পরবর্তীতে আ’সা’মী সুলতান মিয়াকে কোর্টে প্রেরণ করে পু’লি’শ।
এ সময় ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে অ’ভিযা’নে নেতৃত্বদানকারী অতিরিক্ত পু’লি’শ সুপার এস এম আশরাফুল আলম জানান, গত ৩০ এপ্রিল সকালে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের মান্না মিয়ার মেয়ে মনি আক্তার প্রতিদিনের মতো প্রাইভেট পড়তে যায় ন্যাপারা গ্রামের তালেব মাস্টারের বাড়িতে।
ওই শিক্ষকের বাড়ির কাছাকাছিই সুলতানের বাড়ি। সে প্রতিদিন লক্ষ্য করতো মনি আক্তারকে। ওইদিন প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে ওঁত পেতে থাকা সুলতান মেয়েটিকে কৌশলে ঘরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে ধ’র্ষ’ণ করে। এক পর্যায়ে মেয়েটি নিস্তেজ হয়ে পড়লে গলা টিপে হ’ত্যা নিশ্চিত করে। পরে দিনভর ঘরে ফেলে রেখে রাতে বাড়ির অদূরে জঙ্গলে হাত পা বা’ধা অবস্থায় ফেলে রাখে।
এদিকে মনির পরিবার খুঁজতে থাকে মেয়েকে। পরদিন (১ মে) সকালে নয়াপড়া মান্দারতলা গ্রামের জ’ঙ্গ’লে লা’শ দেখেতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পু’লি’শ গিয়ে লাশ উ’দ্ধা’র করে। এরই মধ্যে মনির বাবা মা এসে লা’শ দেখে মেয়েকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ২ মে বারহাট্টা থানায় মা’ম’লা দা’য়ের করেন।
গত কয়েকদিন পু’লি’শ অ’ভিযা’ন চালিয়ে সুলতানকে তার শ্বশুরবাড়ি বাউসি এলাকা থেকে আ’ট’ক করে। আ’সা’মী এমন আরও বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়েছে দীর্ঘদিন। মনি ৩৫ নং পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তো।
পু’লি’শ সুপার মো. আকবর আলী মুনসী বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং জবানবন্দী অনুযায়ীই এমন লোমহর্ষক ঘটনার সাজা নিশ্চিত করা যায়। আমরা সেভাবেই সকল তথ্য উপাত্ত প্রমাণ রেখেছি। যা আদালতে প্রেরণ করবো। পু’লিশে’র প্রতি সকল মানুষকে তিনি আস্থা রাখার জন্য অনুরোধ জানান। উৎস: সময়টিভি।




