271365

সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা ওবায়দুল কাদেরকে দেখে যে পরামর্শ দিলেন

নিউজ ডেস্ক।। ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে নেয়ার ব্যাপারে মত দিয়েছেন মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। রোববার (৩ মার্চ) রাত সোয়া আটটার দিকে এ কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান। এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন সিঙ্গাপুর থেকে আসার চিকিৎসক দল। সন্ধ্যায় তারা একটি এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছান এবং সঙ্গে সঙ্গে বিএসএমএমইউ’তে চলে যান। সেখানে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিকেল টিমের সঙ্গে আলোচনার পর তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মত দেন তারা।

এর আগে বিকেলে ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কের জানাতে ব্রিফিং করেন বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসকরা। এসময় তারা জানান, ওবায়দুল কাদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন। তিনি চোখ খুলেছেন বলেও জানান তারা। চিকিৎসকরা ওই সময় জানিয়েছিলেন, রাতে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের ৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আসবেন এবং তাদের সঙ্গে মেডিকেল বোর্ডের আলোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এই মুহূর্তে বিদেশি স্থানান্তর করার মতো অবস্থাতেও তিনি নেই বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছিল। তবে সিঙ্গাপুর থেকে আসা টিম তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কোনো সমস্যা হলে সেটিকে কাভার দেয়ার মতো প্রযুক্তি, জনবল বা সরঞ্জামের নিশ্চয়তা দিতে পারলে তাকে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন তারা। রোববার ভোর ৬টায় নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওবায়দুল কাদের। এরপর সকাল সাড়ে ৭টায় তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে নেয়া হয়। প্রথমে তাকে আইসিইউ-তে নেয়া হলেও পরে সিসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, আজ (রোববার) ফজরের নামাজের পর হঠাৎ করে সেতুমন্ত্রীর শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করে দ্রুত এনজিওগ্রাম করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগে নেওয়া হয়। এনজিওগ্রামে তাঁর হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। রিং পরিয়ে একটি ব্লক সচল করা হয়। পরে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *