মাথায় ১৪শ কোটি টাকা নিয়ে মারা গেলেন তিনি!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মাত্র পাঁচ বছর আগে এই সংস্থা শুরু করেছিলেন জেরাল্ড কটন নামে ভ্যাঙ্কুভারের এক যুবক। গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি ভারতে এসেছিলেন সংস্থার কাজেই। এবং ৯ তারিখ হঠাতই মারা যান। ২০০ মিলিয়ন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যে সংখ্যাটা দেখলেই অনেকে আঁতকে উঠতে পারেন— ১৪,৩১,২১,০০,০০০ টাকা! তবে নগদ বা চেক নয়। পুরোটাই ডিজিটাল অ্যাসেট বা ক্রিপটো-কারেন্সি। বিটকয়েন, লাইটকয়েন বা ইথার জাতীয় মুদ্রা। সংস্থার নাম ‘কোয়াড্রিগা সিএক্স’। মাত্র পাঁচ বছর আগে এই সংস্থা শুরু করেছিলেন জেরাল্ড কটন নামে ভ্যাঙ্কুভারের এক যুবক। গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি ভারতে এসেছিলেন সংস্থার কাজেই। এবং ৯ তারিখ হঠাতই মারা যান। জানা যায়, ক্রোনস ডিজিজ নামে এক ধরনের পেটের অসুখে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩০ বছরের জেরাল্ড কটন।
সমস্যা শুরু হয় তাঁর মৃত্যুর পরেই। কারণ জেরাল্ড কটন তাঁর ল্যাপটপ, ই-মেল ও মেসেজিং সিসটেমের পাসওয়ার্ড সিকিওর্ড রাখার জন্য এনক্রিপটেড রাখতেন। এবং এ সবই জানতেন একমাত্র কটনই। সংস্থার অন্য কোনও ব্যক্তি বা অন্য কোথাওই সেই সব পাসওয়ার্ড তিনি রাখেননি। ফলে, সংস্থার তরফ থেকে তাদের ক্রেতাদের টাকা দিতে পারছে না কোয়াড্রিগা সিএক্স। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ৩১ জানুয়ারি, নোভা স্কোশিয়ার হ্যালিফ্যাক্সে এই সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কোর্টে উপস্থিত ছিলেন মৃত জেরাল্ড কটনের স্ত্রী, জেনিফার রবার্টসন। তিনি জানান, তাঁর কাছেও কোনও পাসওয়ার্ড নেই। এবং এক্সপার্ট হ্যাকার এনেও কোন কাজ হয়নি। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। অনেকেই মনে করছেন কোয়াড্রিগা সিএক্স-এর কর্ণধার জেরাল্ড কটন আদৌ মারা যাননি। এমনও জানা গিয়েছে যে, অনলাইনে লেনদেনও হচ্ছে। যদিও সংস্থার তরফ থেকে বলা হচ্ছে যে তাদের কাছে কোনও ‘অ্যাকসেস’ নেই।




