252031

একাকিত্ব ভালো লাগে, মোনালী অফস্ক্রিনে আমার ফ্যান: নোবেল

সারেগামাপা’য় অংশ নিয়েই রাতারাতি তারকা বনে গেলেও নিজের মধ্যে কোনো পরিবর্তন দেখছেন না এপার-ওপার দুই বাংলা মাতানো বাংলাদেশি তরুণ সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল।এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমার নিজের আসলে কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগেও যেমন ছিলাম এখনো তেমন আছি। আমি আগে যে খারাপ গাইতাম- তা তো না। তবে আমাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিটা পরিবর্তন হয়েছে মানুষের।তবে আমাকে ঘিরে চারপাশে উচ্ছ্বাস দেখলে ভালোই লাগে। কিন্তু আমি যেহেতু মিউজিক করি, গান লিখি, কম্পোজ করার চেষ্টা করি-সে হিসেবে বলি, আমার একাকিত্ব ভালো লাগে।

প্রত্যেকটা বিষয়ের ভালো-মন্দ দুটি দিকই আছে। মানুষ তো মিউজিক করে খ্যাতির জন্যই। কে কত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারল সেটাই অনেকের কাছে দেখার বিষয়।বিচারকদের সঙ্গে আপনার অনস্ক্রিন রসায়ন তো টিভির পর্দায় দর্শক দেখেই; তাদের সঙ্গে আপনার অফস্ক্রিন রসায়নটা কেমন?উত্তরে নোবেল বলেন, সবার সঙ্গেই আমার সম্পর্ক ভালো। গান কম্পোজে আমার আগ্রহ দেখে শান্তনু মৈত্র আমাকে বলেছেন, ‘সারেগামাপা শেষ হলে বড় বড় কম্পোজারদের কাছ থেকে দীক্ষা নিতে পারো। দখলটা আরো বেড়ে যাবে।’ উনার পরামর্শটা ভালো লেগেছে আমার।

মোনালী ঠাকুর আমার গান খুব পছন্দ করেন। মোনালী অফস্ক্রিনে আমার ফ্যান। অফস্ক্রিনে আমার সঙ্গে ফ্যানের মতো রিঅ্যাকশন করেন।শ্রীকান্ত আচার্য বুকে জড়িয়ে ধরেন। অন্যান্য প্রতিযোগীদের তুলনায় আমাকে একটু বেশিই পছন্দ করেন তিনি। উনি ভারী গলায় যে ধরনের মিউজিক করেন আমার মধ্যে হয়তো সিমিলারিটি দেখতে পান।

ad

পাঠকের মতামত