246210

নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবে ঐক্যফ্রন্ট

সদ্য অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম কারচুপির অভিযোগ এনে নিজ নিজ আসনের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা।বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রার্থীদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।দুপুর ১২ টায় শুরু হয় বৈঠক চলে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।বৈঠক থেকে বের হয়ে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল এ কথা জানান। নেত্রকোনা -১ আসন থেকে তিনি ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন।ফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে কায়সার কামাল বলেন, এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ফ্রন্টের সিনিয়র নেতারা সিদ্ধান্ত নেবেন।

এছাড়া বিকেল ৩টায় ফ্রন্ট এর পক্ষ থেকে একটা প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে স্মারকলিপি দেবেন বলেও জানান তিনি।বৈঠকে যাওয়ার আগে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যেহেতু এই নির্বাচন প্রত্যাখান করেছি, ফলে কারও শপথ নেয়ার প্রশ্নেই আসে না।’ এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এরপরও কেউ যদি শপথ নেয়, তাহলে সেটা জাতির সঙ্গে বেইমানি করা হবে।’বৈঠকে পোলিং এজেন্ট দিতে না দেয়া, ব্যালট ভর্তি করা, ভোটারদেরকে ভোটকেন্দ্রে যেতে না দেয়া, ভোটকেন্দ্র দখলে রাখা, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও পুলিশ দলীয় আচরণসহ নানা অনিয়মের তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরেন। এর পেক্ষিতে করণীয় কি হতে পারে সেই বিষয়ে মতামতও নেয়া হয়।

গত ১ জানুয়ারি বিএনপির পক্ষ থেকে প্রার্থীদের একটি চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছিল ভোটে অনিয়ম-কারচুপির প্রমাণ, প্রতিটি কেন্দ্রের ‘অস্বাভাবিক’ ভোটের হিসাব, গ্রেফতারকৃত এজেন্ট ও নেতা-কর্মীদের তালিকা, সহিংসতায় আহত ও নিহতদের তালিকাসহ ৮টি বিষয়ে তথ্যসহ একটি প্রতিবেদনও দিতে। ভোট কারচুপির ভিডিও থাকলে তাও প্রতিবেদনের সঙ্গে দিতে বলা হয়েছে।বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: ব্রেকিংনিউজ

ad

পাঠকের মতামত