242090

ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা, ৩০ মিনিটের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ছাড়ার হুমকি!

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর গণসংযোগে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আধাঘন্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীকে নারায়ণগঞ্জ ছাড়ার হুমকি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে।নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর গণসংযোগে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আধাঘন্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীকে নারায়ণগঞ্জ ছাড়ার হুমকি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ফতুল্লা রূপায়ন আবাসিক এলাকার সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।

মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী জানান, সাইনবোর্ড থেকে এসে রূপায়ন গেটের সামনে গাড়ি থামালে ২০/২৫ জন লোক গাড়ি ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে তারা গাড়ি থেকে নামিয়ে আমাকে মারধর করে। আধাঘন্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ছাড়বি নাহলে তোরে মাইরা ফেলবো বলে শাহ নিজাম হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এদের মধ্যে দুইজনকে আমি চিনতে পেরেছি। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম ও নাসিক ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হাসেম শকু এ হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি রিটার্নিং অফিসার বরাবর অভিযোগ অবশ্যই করবো। আমার জানের উপর হামলা এসেছে আমি কেন অভিযোগ করবোনা। আমি এখনো স্থিরই হতে পারিনি। মনির হোসেইন কাশেমী বলেন, আরো একটি ঘটনা ঘটেছে। বেলা আড়াইটার সময় আমার বড় ভাই মোক্তার হোসাইন মসজিদ থেকে বাসায় ফেরার পথে ফতুল্লা থানার সিভিল টিম তাকে থানায় যেতে হবে বলে নিয়ে গেছে। এখনো পর্যন্ত তাঁর ফোনটি বন্ধ।মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম এ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, নির্বাচনে বেসামাল হয়ে সে এসব মিথ্যা কথা বলছে। আমি তাকে তো চিনিই না। আমার কাছে সিসিটিভির ফুটেজ আছে। রূপায়নের সামনে কি ঘটেছে তা আমি কি করে জানবো। বিভিন্ন উঠান বৈঠকে আমি বলেছি কাশেমী একজন জঙ্গি। তার ব্যাপারে আপনারা সতর্ক থাকবেন। একারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে এমন নাটক বানিয়েছে। হুজুর হয়ে তিনি এমন মিথ্যা কথা বলেন কিভাবে?

নাসিক ১২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হাশেম শকু বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। উনি হয়তো ভুল করছে। আসলে উনি হয়তো আমাকে চেনেনই না। আমি কোন পোশাক পড়ে ছিলাম সেটাও তিনি বলতে পারবেন না।এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করলে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের জানান, আমি মিটিং এ আছি, পরে ফোন দেন।সূত্র: আমাদের সময়.কম

ad

পাঠকের মতামত