মন্ত্রী হবার স্বাদ মিটে গেছে: ড. কামাল
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আমি কোনো পদ পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি না, আমি তো তিন বছর মন্ত্রী ছিলাম, আমার মন্ত্রী হবার স্বাদ মিটে গেছে। বৃহস্পতিবর গণমাধ্যমে একথা বলেন তিনি।ড. কামাল বলেন, শেষ সময়ে বঙ্গবন্ধু ও তাজ উদ্দিন আহমেদের মতো সহকর্মী পাওয়া এর চেয়ে বেশী জীবনে কল্পনা করা যায় না। সপ্নেও দেখা যেতে পারে না। আমি তো সে সপ্নের রাজনীতি করেছি।জামায়াতে ইসলাম সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি প্রথম দিনেই বলেছি জামায়াতে ইসলামের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক ছিলো না, থাকতেই পারে না। জামায়াতের ইসলামের দল হিসেবে তো অস্তিত্বই নেই। যদি জামায়াতের কেউ থাকে ওদেরকে বাদ দিতে হবে নয়ত আমরা সরে যাবো।
ড. কামাল বলেন, বই আকারে লিখতে চাই গণতন্ত্র পৃথিবী জোড়ায় ধ্বংস হয়ে গেছে। টাকা ধ্বংস করেছে। এটাকে গণতন্ত্র বলা উচিত নয় এটাকে টাকা তন্ত্র নামকরণ করা উচিত। ২৫ লক্ষ টাকার ভিতর কেউ নির্বাচন করতে পারে না । হলফ নামায় সবাই মিথ্যা লিখে, কেউ সৎভাবে সই করতে পারে না। কালো টাকা তো এই দেশে বিনিয়োগ হবে না কালো টাকা চলে যাচ্ছে অন্যান্য দেশে।আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে জিম্মি হয়ে থাকাটা অসুস্থতা মনে করছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, জনগণ ক্ষমতার অধিকারী তাহলে আমরা দুই দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকি কেন? আমরা জিম্মি, এই দলে নয়তো ওইদলে।
এদিকে শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জামায়াতকে নিয়ে প্রশ্ন করায় ক্ষেপে যান ড.কামাল হোসেন। এসময় তিনি প্রশ্নকারী সাংবাদিকের নাম পরিচয় জানতে চান এবং তাকে ‘খামোশ’ বলে গালি দেন।এসময় তিনি ওই সাংবাদিককে উল্টো প্রশ্ন করে বলেন, ‘বেহুদা কথা বলো, কতো পয়সা পেয়েছো এই প্রশ্ন করতে? কার কাছ থেকে পয়সা পেয়েছো? পয়সা পেয়ে শহীদ মিনারে এসে শহীদদের অশ্রদ্ধা করো? শহীদদের কথা চিন্তা করো! চুপ করো চুপ করো!এসময় প্রশ্নকারী সাংবাদিককে তিনি আরো বলেন, ‘এই জায়গায় এসব রাজনৈতিক প্রশ্ন করো! তোমার নাম কি? জেনে রাখবো, চিনে রাখবো। যাও! শহীদদের কথা চিন্তা করো, চুপ করো। চুপ করো। খামোশ! অসহ্য!’এরপর তিনি পুনরায় প্রশ্নকর্তা সাংবাদিকের পরিচয় এবং কোন প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজ করেন তা জানতে চান।




