238335

১৬ ডিসেম্বর দেখিয়ে দেব: মান্না

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমরা ২৯ তারিখ পর্যন্ত মাটি কামড়ে পড়ে আছি। কিন্তু ৩০ তারিখে এই কামড় অন্যদিকে চলে যাবে। শনিবার এখান থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত লংমার্চ করব। ১৬ তারিখ বিজয় দিবসে আমরা বিজয় র‌্যালী করবো। আমরা বিজয় দিবসে দেখিয়ে দেব।শুক্রবার বিকালে পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয়ে জোটের পক্ষ থেকে করা সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মান্না।সকালে মিরপুরে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে দিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রশ্নে এক সাংবাদিককে ‘দেখে দেওয়ার’ কথা বলেন ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা কামাল হোসেন। ফেরার পথে তার গাড়িবহরে হামলা হয়। এরপর জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকে ঐক্যফ্রন্ট।

এই সংবাদ সম্মেলনে আসেন ড. কামাল, আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে জামায়াত প্রশ্নে সকালের ঘটনা সম্পর্কে একটি কথাও বলেননি কেউ। এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নও নেননি তারা।আ স ম রব বলেন, সকালে তারা আমাদের ওপর বর্বর হামলা করে। ইট পাটকেল, হকিস্টিক দিয়ে হামলা করে, এটি পরিকল্পিত হামলা। তারা চায় আমরা যেন নির্বাচন করতে না পারি। এ জন্য আমাদের ভয় পাওয়ানো জন্য হামলা করা হয়েছে।‘তবে আমাদের ওপর যত হামলাই হোক আমরা নির্বাচন থেকে সরে যাব না। আমরা মরব, কিন্তু সরব না। আমরা ৩০ তারিখে ব্যালটের লড়াই করতে চাই। এই স্বৈরাচারকে সরিয়ে দিতে চাই।’

রব বলেন, ‘এই জীবনে অনেক হামলার মোকাবেলা করেছি। কামাল হোসেন, রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, কাদের সিদ্দিকী ভয় পাওয়ার মতো লোক নয়। আমরা ৭১ সনে নয় মাস যুদ্ধে ছিলাম মাঠে। আমাদেরকে ভয় দেখাইয়া মাঠ থেকে তাড়ানো যাবে না।’হবিগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষ নিয়ে লড়া গণফোরামের নেতা রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘ড. কামাল হোসেনের ওপর হামলা করার মতো কোনো মানুষ এদেশে আছে বলে আমার জানা ছিল না। কিন্তু ক্ষমতার জন্য আজকে এ ঘটনা ঘটাল তারা। আমার কথা হলো, তোমরা এমন কী করেছো যে ক্ষমতা হারানোর ভয় পাচ্ছ?’এই সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য ঐক্যফ্রন্টের প্রধান দল বিএনপির কেউ উপস্থিত ছিলেন না। আর এই বিষয়টি নিয়েও শরিক দলের নেতারা কিছু বলেননি।

ad

পাঠকের মতামত