বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে যা বলছে আ’লীগ-বিএনপি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বমোট প্রার্থী সংখ্যা তিন হাজার ৫৬ জন। এর মধ্যে বৃহৎ দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন অন্তত ৫০০ নেতা।আগামী ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এই সময়ের মধ্যে যেসব বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন কমিশন থেকে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করেন তাহলে তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়তে হবে। তাদের এই লড়াই মূলত দলের মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে হবে, যার ফলে দলীয় প্রার্থীর বিজয় কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা সচেতন রয়েছেন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার আগে বলা যাবে না, কে বিদ্রোহী। তবে শেষ পর্যন্ত কেউ বিদ্রোহী হলে তাকে বহিষ্কার করা হবে আজীবনের জন্য।
অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কেউ ক্ষোভ থেকে বা প্রতিবাদ হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত জনগণের সঙ্গে শামিল হয়ে তারা সরে দাঁড়াবেন।তবে যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতীকা পাওয়ার দ্বার বন্ধ হয়ে গেছে।নির্বাচনী কর্মকর্তারা বলছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা দলীয় প্রতীক পাবেন না। শুধুমাত্র দলের প্রত্যয়নপত্র পাওয়া বা জোটের যে তালিকা নির্বাচন কমিশনে দেয়া হয়েছে সে অনুযায়ীই প্রতীক বরাদ্দ হবে।




