233904

বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে চলছে ঠাণ্ডা লড়াই

রাজধানী নিকটবর্তী ঢাকা-১ দোহার নবাবগঞ্জ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফের শুরু হয়েছে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দু’গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঠাণ্ডা লড়াই। যার সূত্রপাত মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। মনোনয়ন বঞ্চিত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সাংসদ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল মান্নানের সমর্থিত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, আজ আমরা হামলা, মামলায় জর্জরিত। বুধবার দলের মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ দিনেও অনেক নেতাকর্মীই জানতে পারেনি তাদের দলীয় প্রার্থী কোথায়, কারা, কিভাবে জমা দেবেন মনোনয়নপত্র।

নিজেদের মধ্যে ঐক্য না হলে নির্বাচনে ব্যাপক প্রভাব পরতে পারে বলে মনে করেন তারা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ ২০ বছর পর ঢাকা জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। এতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাককে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। এরপরই খন্দকার আবু আশফাক ঢাকায় তার নিজ বাসায় বসে তার ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে তার অনুসারী নয়নশ্রী ইউনিয়নের আজাদুর রহমান হাই পান্নুকে সভাপতি ও তার নিজের ভাই খন্দকার আবুল কালামকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা কমিটি গঠন করেন। এছাড়া দোহার উপজেলার সভাপতি সাহাবদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মেছের আলীকেও খন্দকার আবু আশফাক কারো সাথে আলোচনা না করেই সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে দেন। এনিয়ে দলে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই অবস্থায় বর্তমান সময়ে ঢাকায় বসে নবাবগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটি কমিটি গঠন ও মনোনয়ন পাওয়া না পাওয়া নিয়ে নেতাদের দ্বন্দ্ব আসন্ন নির্বাচনে ব্যাপক প্রভাব পরতে পারে বলে মনে করেন বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, ভেদাভেদ ভুলে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা মিলে নির্বাচন করলেই বিজয় লাভ করা সম্ভব।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-১ দোহার নবাবগঞ্জ আসনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাকের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তার অনুসারী নেতাকর্মীরা জানায়, আমরা অনেকবার আলোচনার মাধ্যমে কমিটি গঠনসহ ভেদাভেদ ভুলে আগামী দিনে এক সাথে কার করার আহবান জানালেও তারা সায় দেয়নি। সামনে নির্বাচন তাই এ বিষয়ে আর কিছু বলার নেই আমাদের।

ad

পাঠকের মতামত