233668

তারা দুজনই নেই

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বিকল্পধারার সভাপতি ও যু্ক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।মুন্সীগঞ্জ-৩ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তিনি তা জমা দেননি বি চৌধুরী। এরপর ঢাকা-১১ (বাড্ডা-বেরাইদ-সাতারকুল) আসন থেকে তার নির্বাচন করার কথা শোনা গেছে। তবে বি. চৌধুরীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি নির্বাচন করছেন না। এ কারণে নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো মনোনয়ন ফরমও নেননি।

এদিকে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিকল্পধারা কিংবা যুক্তফ্রন্টের আসন সমঝোতা এখনও হয়নি। আসন ভাগাভাগি নিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে সময় চেয়েও পাননি।বিকল্পধারার নেতাদের দাবি, সাত-আটটি আসনে ছাড় পাওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগ থেকে ইঙ্গিতও পেয়েছিল যুক্তফ্রন্ট।

বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ওবায়দুল কাদের) বলেছেন, তারা দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়নের চিঠি দিলেও সঙ্গে প্রত্যাহারপত্রেও স্বাক্ষর নিয়ে রেখেছেন। সেই কারণে আমরা আশা করছি শেষ পর্যন্ত আমরা সম্মানজনক আসনে ছাড় পাবো। এরপর নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে।তিনি আরো বলেন, ‘বিকল্পধারার ও যুক্তফ্রন্টের সংশ্লিষ্ট নেতারা যার যার মতো মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা হবে।

ড. কামাল হোসেন:জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না। গতকাল বুধবার বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা–৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া শেষে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের নেতা সুব্রত চৌধুরী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে আমাদের গণফোরামের সভাপতি ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেন কোনো আসনেই প্রার্থী হচ্ছেন না— এ ব্যাপরে বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ নেই।

সুব্রত বলেন, আমাদের সভাপতি জাতীয় ঐক্যফন্টের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফ্রন্ট তিনি পরিচালনা করছে। তিনি আগেও বলেছিলেন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তিনি ঐক্য করেন নাই। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য জাতির স্বার্থে তিনি এই ঐক্যে শরিক হয়েছেন।এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর বিএনপিসহ কয়েকটি নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দল নিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সাত দফা দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। সংসদ ভেঙে, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি ছিল সাত দফার মধ্যে।জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর আওয়ামী লীগ নেতাদের সমালোচনার মুখে গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন বলেছিলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া কিংবা রাষ্ট্রীয় কোনো পদ পাওয়ার ইচ্ছা তার নেই।

ad

পাঠকের মতামত