এখনও সময় আছে ভালো হয়ে যান: শামীম ওসমান
মাদক ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, এখনও সময় আছে ভালো হয়ে যান, না হয় পুলিশের বন্দুকের গুলি রেডি আছে। শনিবার সকালে ফতুল্লার শিহাচর এলাকায় পাইলট স্কুল মাঠে একাদশ নির্বাচন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পরে শামীম ওসমান বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে নারী-পুরুষ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে নৌকায় ভোট চান।
’
শামীম ওসমান বলেন, মাদক ব্যবসায়ী আমার দলের হলেও ছাড় পাবে না। সন্ত্রাস-মাদক ব্যবসায়ী আমার দরকার নেই। খারাপ লোক নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না। খারাপ লোক একশ না হয়ে ১০ জন ভালো মানুষ আমার দরকার।বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ২০০১ সালে নির্বাচনের পর আমার অনেক নেতাকর্মীর ওপর হামলা করা হয়েছে এবং হত্যা করা হয়েছে। আমার ভাই হওয়ার অপরাধে সেলিম ওসমানের ফ্যাক্টরিতে হামলা করা হয়েছিল। খামারে গিয়ে গরুর বান কেটে ফেলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, আমার বাড়ি হীরা মহলে আগুন দেয়া হয়েছিল। তারপরও আমি বিএনপির কাউকে কিছু বলিনি।
কারও ধোঁকাবাজিতে পা না দিতে এলাকার ভোটারদের সতর্ক করে দিয়েছে তিনি বলেন, আমি অভয় দিচ্ছি, না বুঝে কাউকে সমর্থন করবেন না। নির্বাচন আসছে অনেকেই এসে নাটক করবে, মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ টাকা অনুদান দেবে। আমি বলছি, কারও ধোঁকাবাজিতে পা দেবেন না। মনে রাখবেন, আপনার এলাকার জনপ্রতিনিধি ভুল ব্যক্তি হলে সমাজ নষ্ট হয়ে যাবে এবং উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে। সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বেড়ে যাবে। আমি টাকা দিয়ে এবং মানুষকে ধোকা দিয়ে ধান্ধাবাজি করে নির্বাচনে ভোট চাইব না।
তিনি আরো বলেন, পুরনো কথা মনে করাবেন না। বুকের জ্বালা তুলবেন না। যদি পুরনো জ্বালা বুকে তুলে দেন, তাহলে পরিণতি ভাল হবে না। আমার কাছে খবর আছে, অস্ত্র কেনার জন্য চেষ্টা করছেন। এমন কিছু করবেন না, জনগণ আপনাদের ছাড় দেবে না। তখন কিন্তু আমাকে দায়ী করতে পারবেন না।
ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ লিটনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সানাউল্লাহ, সাংগঠনিক সস্পাদক মীর সোহেল, জেলা মহিলা লীগের সভাপতি প্রফেসর শিরিন আক্তার, জেলা জজ কোর্টের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সস্পাদক আনোয়ার হোসেন, থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সস্পাদক এমএ মান্নান, আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেন প্রমুখ।




