342829

রায় মানেন না আ’দালতই, বি’চারাধীন দু লাখের বেশি ধ’র্ষণ মা’মলা

আ’দালতের রায়ই মানে না আ’দালত। ধ’র্ষণ ও নারী নি’র্যাতনের মা’মলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে দেড় বছর আগে উচ্চ আ’দালত নি’র্দেশ দিলেও মানা হচ্ছে না বি’চারিক আ’দালতে। এমনকি উচ্চ আ’দালতেও ঝুলছে বছরের পর বছর। আর আ’ইনের এই ফাঁ’কফো’কড়ে জা’মিনে বের হয়ে যায় অনেক আ’সামি।

প্রতিবন্ধী মেয়েকে যৌ’ন নি’পীড়নের অ’ভিযোগে মা’মলা দায়েরের তিনদিনের মধ্যে জামিনে বের হয়ে গেছে আ’সামি। বের হয়েই দিচ্ছেন হু’মকি ধা’মকি। প্রতিকারের আসায় ৮ মাস ধরে মা ঘুরছেন আ’দালতের দ্বারে দ্বারে।

বি’চারে গতি আনতে এবং ঝুলে থাকা মা’মলার বোঝা কমাতে দেড় বছর আগে ৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন উচ্চ আ’দালত। ৬ মাসের মধ্যে মা’মলা নিষ্পত্তির সময় বেঁধে দিলেও এর কোন প্রভাব পড়েনি বিচারে। আ’দালত ঘুরে যার সত্যতা মিলে। এমন পরিস্থিতি দেখে হতাশ উচ্চ আ’দালত।

ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া বলেন, আ’দালতের নি’র্দেশনা যদি এটুকু মেনে চলতে পারি তাহলেও এ ধরেনর মা’মলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। কিন্তু ট্রাইবুন্যালগুলো এই নির্দেশনা মানতেছে না।

অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল এস এম মুনীর চৌধুরী বলেন, যদি কেউ না মেনে থাকেন এগুলো কন্টেন্ট আকারে এখানে বিচার করা উচিত। রাষ্ট্রপক্ষের আ’ইনজীবীরা দিলেন নানা অজুহাত।

অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু বলেন, বি’চারে দীর্ঘসূত্রিতার কারণ হচ্ছে তদন্ত এবং সাক্ষী না আসা। দেখা যাচ্ছে স্বাক্ষীর সমন দেয়ার পর তারা আসে না। বি’চারের দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে অনেক আ’সামি বের হয়ে যাচ্ছেন জামিনে। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় বলছে, এখন আর সে সুযোগ দেয়া হবে না।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরো বলেন, কেউ যাতে আইনে ফাঁক ফোকড়ে দিয়ে বের হয়ে না যেতে পারে; সেজন্য আমরা সুদৃষ্টি দিচ্ছি। ঢাকার নয়টিসহ দেশের ১০১টি নারী ও শিশু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনালে বি’চারাধীন মা’মলার সংখ্যা দুই লক্ষাধিক। সূত্রঃ সময় টিভি

ad

পাঠকের মতামত