নাগার্নো-কারাবাখ : তুরস্কের বি’রুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নালি’শ করতে চায় আর্মেনিয়া
এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কার্যত যু’দ্ধ চলছে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে। এরই মধ্যে যু’দ্ধের নয়দিন পেরিয়ে গেল। এখনও অধরা সমাধানসূত্র। আজারবাইজানের সাথে যু’দ্ধে আর্মেনিয়া খুব বেশি সুবিধা করতে পারছে না। নাগার্নো করাবাখের একের পর এক শহর, এলাকা ও গ্রাম দখল করছে আজারবাইজান। যু’দ্ধে আর্মেনীয় সেনাবাহিনীর ব্যাপক ক্ষ’য়ক্ষ’তিসহ যু’দ্ধক্ষেত্র থেকে আর্মেনীয় সেনাদের পালিয়ে যাওয়ার খবরও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে আসছে। আর এর মধ্যেই আর্মেনিয়া জানিয়েছে, দুই দেশের সঙ্ঘা’তে তুরস্কের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকার কাছে অ’ভিযোগ জানাবে দেশটি।
এদিকে জাতিসঙ্ঘ, রেডক্রস, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরে এ বার শান্তিপূর্ণ আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে আনতে মধ্যস্থতার প্রস্তাবও দিয়েছে দেশটি।
এদিকে গত সপ্তাহের মতো চলতি সপ্তাহেও আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে তী’ব্র যু’দ্ধ অব্যাহত রয়েছে। সোমবার আর্মেনিয়া দাবি করেছে, তাদের গো’লায় ‘বি’ধ্বস্ত হয়েছে’ আজারবাইজানের শহর টারটার। অন্য দিকে, আজারবাইজানও জানিয়েছে, তাদের আ’ক্রমণে বিতর্কিত নাগার্নো-কারাবাখের রাজধানীর কার্যত ধূ’লিসাৎ হয়ে গিয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া হিসেব অনুযায়ী- আজারবাইজানের হা’মলায় নাগার্নো-কারবাখেই কমপক্ষে ২২০ জন যো’দ্ধার মৃ’ত্যু হয়েছে। তারা সকলেই আর্মেনিয়ার সেনার ম’দতে আজারবাইজানের বি’রুদ্ধে লড়াই করছিলেন। এ ছাড়াও ৮২ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আজারবাইজানে অন্তত ২৪ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান দুইটি দেশেরই সীমান্তে অবস্থিত ইরান। যু’দ্ধ থামাতে এ বার ইরানও পদক্ষেপ নিয়েছে। দুইটি দেশকেই শান্তিপূর্ণ ভাবে বৈঠকে বসার অ’নুরোধ জানিয়েছে ইরান। কিন্তু তাতে এখনো পর্যন্ত কোনো দেশই সাড়া দেয়নি।
ইরান জানিয়েছে, সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সবরকম চেষ্টা তারা করবে। অন্য দিকে তুরস্ক সমর্থন দিচ্ছে আজারবাইজানকে। বস্তুত, আর্মেনিয়া জানিয়েছে, তুরস্কের ভূমিকা নিয়ে তারা আমেরিকার কাছে অ’ভিযোগ জানাবে।






