ভারতে সুস্থতার রেকর্ড, আ’ক্রান্ত ২৯ লাখ ছাড়াল
ডেস্ক রিপোর্ট।। ঊর্ধ্বমুখী নমুনা পরীক্ষায় আ’শঙ্কজনকহারে করোনা শ’নাক্ত হলেও সুস্থতার হার স্বস্তি দিচ্ছে ভারতকে। দেশটিতে গত একদিনে সর্বোচ্চ ৬২ হাজারের বেশি রোগী স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। অপরদিকে, টানা দুই সপ্তাহে গড়ে অর্ধলক্ষের বেশি শনাক্তে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা ২৯ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর প্রা’ণহানি বেড়ে ৫৫ হাজার হতে চলেছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮ হাজার ৮৯৮ জনের শরীরে করোনা শ’নাক্ত হয়েছে। এতে করে সং’ক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ লাখ ৫ হাজার ৮২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। যার ষাট শতাংশই চার রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, দিল্লি, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ)।
অন্যদিকে, গত একদিনে প্রা’ণহানি ঘটেছে ৯৮৩ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৪ হাজার ৮৪৯ জনের মৃ’ত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ২৬ লাখ ৬১ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ লাখ ৫ হাজারের অধিক।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সর্বাধিক সং’ক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানা। এদিকে বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলের পরে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রা’ন্ত দেশ হলো ভারত। আর প্রা’ণহানিতে চতুর্থ।
এদিকে মহারাষ্ট্রে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৪৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মৃ’ত্যু হয়েছে ২১ হাজার ৩৫৯ জন মানুষের।
আ’ক্রা’ন্ত ও প্রা’ণহানিতে রাজধানী দিল্লিকে টপকানো তামিলনাড়ুতে মৃ’তে’র সংখ্যা ৬ হাজার ২৩৯ জন। আর আ’ক্রা’ন্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে সাড়ে ৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
তিনে থাকা অন্ধ্রপ্রদেশে করোনার শি’কার ৩ লাখের বেশি। তবে, প্রা’ণহানি কিছুটা কম এখানে। যার সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি মানুষের।
দিল্লিতে করোনার থাবায় প্রা’ণ গেছে ৪ হাজার ২৫৭ জনের। আর ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে সেখানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনার দাপট।
সং’ক্রম’ণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় বাজার-হাট, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই, প্রতিদিনই আ’শঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতা লাভ করেছেন ৬২ হাজার রোগী। এতে করে বেঁ’চে ফেরার সংখ্যা ২১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। যা ভারত সরকারকে স্বস্তি দিচ্ছে। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৯২ হাজারের বেশি।




