333394

পটুয়াখালীতে প্রকাশ্যে দুই ছাত্রকে কোপানোর ভিডিও ভা’ইরাল, এলাকায় আ’তঙ্ক

নিউজ ডেস্ক।। পটুয়াখালীতে কিশোর গ্যাং’য়ের গ্রুপগুলো সক্রিয় হয়ে উঠছে। সম্প্রতি শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় দুই শিক্ষার্থীকে কোপানোর একটি ভিডিও ভা’ইরাল হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আ’তঙ্ক বিরাজ করছে। শহরেরে গ্যাং কালচার এবং অ’স্ত্রের মহড়া বন্ধে আ’ইনশৃঙ্খ’লা বাহিনীর কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন জেলাবাসী।

জেলায় মাদ’ক সেবনের ঘটনাকে কেন্দ্র দুই কলেজ ছাত্রকে কু’পিয়ে মা’রাত্ম’ক জ’খম করা হয়েছে। হা’মলার ঘটনার একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভা’ইরাল হয়েছে।

আ’হতরা হলেন-পটুয়াখালী পৌর শহরের একেএম কলেজের স্নাতকের ছাত্র এনামুল হক মুন্না (২২) ও রাজধানীর একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির স্নাতকের ছাত্র নিবির দাস গুপ্ত (২২)। আহ’তদে’র বাসা শহরের চরপাড়া এলাকায় বলে জানা গেছে। আ’হত’রা বর্তমানে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আ’টক করা হয়েছে বলে সদর থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

আ’হত এনামুল হক মুন্না জানান, গত ২২ জুলাই শহরের একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনে অংশ নেয়ার জন্য আ’হত দুই বন্ধুসহ সহপাঠীরা শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যায়। এসময় প্রকাশ্যে মাদকসেবন নিয়ে আ’হতদের সঙ্গে হা’মলাকারী’দের মধ্যে বাকবিত’ণ্ডা হয়। পরে তা মিটিয়ে যে যার মত করে খেলায় অংশ নেয় বলে জানায়। খেলার একপর্যায়ে নিবির দাস গুপ্ত শারীরিকভাবে আ’হত হলে সহপাঠীরা তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পানামা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়।

মা’ম’লার বিবরণে থেকে জানা যায়, গত ২২ জুলাই শহরের পটিআই রোডস্থ এলাকায় রাজিন ও হৃদয় নামে দুই যুবক প্রকাশ্যে মা’দক সেবন করছিলো। এ সময় প’টিআই রোডস্থ এলাকার নাসবি তাদের প্রকাশ্যে মা’দ’ক সেবন করতে নি’ষে’ধ করলে রিজন ও হৃদয় তার (নাসিব) ওপর ক্ষি’প্ত হয়। এ ঘটনার জেরে ওইদিন দুপুরে নাসিব লাউকাঠী খয়োঘাট এলাকার মুন্না এবং চরপাড়া এলাকার নিবির দাস গুপ্তাকে নিয়ে শহরের পানামা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যায়। এ সময় থানাপাড়া এলাকার সবুররে নেতৃত্বে শিশুপার্ক এলাকার রিফাত, সিফাত, সিমুল বাগের আরমান, সবুজবাগের রিজন, নতুন বাজার এলাকার হৃদয়, পিটিআই রোডের পুলক, আদালতপাড়ার রতন, সাদাত, জুয়েল, সাজিনসহ ৫ থেকে ৬ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অ’স্ত্রসহ সেখানে অবস্থান নেয়। মা’দক সেবনের বাঁধা দেয়ায় ঘটনার জে’রে নাসিবের ওপর তারা হাম’লা চালালে নাসিব দৌঁড়ে পানামা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দোতলায় চলে যায়। এ সময় নাসিবের বন্ধু মুন্না এবং নবিরি দাস গুপ্তাকে কু’পিয়ে গু’রুতর জ’খম করা হয়।

আহত মুন্নার মা সাহিদা বেগম বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মাম’লা করেন। এদিকে মা’মলার অধিকাংশ আ’সামিদের বি’রুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন থানায় মা’দক, ধ’র্ষণ, ছি’নতাইসহ বিভিন্ন অ’পরাধের মা’মলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার মোর্শেদ জানান, হা’মলার ঘটনায় মা’মলা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িতদের এক জনকে ইতিমধ্যে আ’টক করে জে’লে পাঠানো হয়েছে। বাকীদের আ’ইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। উৎস: সময়নিউজ।

ad

পাঠকের মতামত