331558

ডা. সাবরিনা যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি

নিউজ ডেস্ক।। করোনা ভাইরাস পরীক্ষা নিয়ে প্র’তারণার অ’ভিযোগে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা আরিফকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

রাজধানীর তেজগাঁও থানায় পুলিশের জি’জ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি ডা. সাবরিনা। তাই তাকে গ্রে’ফতার দেখানো হয়েছে বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ।

রবিবার (১৩ জুলাই) ডা. সাবরিনাকে গ্রে’ফতারের পর ডিসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনি জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান কি না? তিনি বলেন, না আমি কখনই চেয়ারম্যান না। তারপর আমি বললাম, তিতুমীর কলেজে দাঁড়িয়ে আপনি জেকেজির পক্ষে কথা বললেন কেন? তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে বলতে বলেছিলো। তারপর তাকে আরও প্রশ্ন করা হয় কিন্তু তিনি কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।’

এ সময় ডিসি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, মা’মলার ত’দন্তের জন্য তাকে অধিকতর জি’জ্ঞাসাবাদ করতে হবে। সোমবার তাকে আ’দালতে পাঠিয়ে রি’মান্ড চাইবে পুলিশ। এর আগে রবিবার দুপুর সোয়া ১টায় তাকে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। তাকে জি’জ্ঞাসাবাদ করেন জেকেজির প্র’তারণা মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা, ডিসিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দুই ঘণ্টা পর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তাকে গ্রে’ফতার দেখানো হয়।

ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক। তবে তিনি গণমাধ্যমে নিজেকে জেকেজির ‘চেয়ারম্যান নয়’ বরং প্রতিষ্ঠানটির ‘কোভিড-১৯ বিষয়ক পরামর্শক’ দাবি করেছেন। তবে পুলিশের তদন্ত বলছে, সাবরিনাই জেকেজির চেয়ারম্যান।

জেকেজির ব্যাপারে ত’দন্ত করে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে কোনো পরীক্ষা না করেই প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ জনকে করোনার টেস্টের ভু’য়া রিপোর্ট সরবরাহ করেছে। একটি ল্যাপটপ থেকে গুলশানে তাদের অফিসের ১৫ তলার ফ্লোর থেকে এই মনগড়া করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন তৈরি করে হাজার হাজার মানুষের মেইলে পাঠায় তারা।

প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় থেকে জব্দ ল্যাপটপ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর করোনা টেস্ট জালিয়াতির এমন চ’মকপ্রদ তথ্য মেলে। এতে দেখা গেছে, টেস্টের জন্য জনপ্রতি নেওয়া হয় সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা। বিদেশি নাগরিকদের কাছে জনপ্রতি একশ’ ডলার। এ হিসাবে করোনার টেস্ট বাণিজ্য করে জেকেজি হাতিয়ে নিয়েছে সাত কোটি ৭০ লাখ টাকা।

ad

পাঠকের মতামত