ঈদের আগে ৫, পরে ১০, মোট ১৫ দিন কঠোর লকডাউন চান প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
নিউজ ডেস্ক।। পবিত্র হজের আদলে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় কোরবানি করা যায় কিনা, প্রধানমন্ত্রীকে ভেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক বলেন, হাজীরা নিজেরা কোরবানি না দিয়ে টাকা দেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান তা বাস্তবায়ন করে। কোভিড-১৯ দু’র্যোগে আমাদের এখানেও একই ব্যবস্থা অনুসরণ করা যেতে পারে। সারা দেশে না হলেও অন্তত বড় বড় শহর কিংবা সিটি করপোরেশন এলাকায় এটা করা যেতে পারে।
কোরবানির গরু বা পশু কেনা থেকে শুরু করে মাংস বন্টন নিরাপত্তা বাহিনী করবে। অনলাইনে কোরবানির পশু কিনতে পারেন।
ঈদে গ্রামে গেলে নিজের পরিবার, পাড়াপ্রতিবেশীদের মধ্যে সং’ক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শ’ঙ্কা থাকবে। বাড়ি না গিয়ে যে যেখানে আছেন, সেখানেই ঈদের নামাজ পড়বেন।
তিনি আরও বলেন, ঈদের ছুটি বিনোদনের সুযোগ মনে করে ঘুরাফেরা করা যাবে না।মাস্ক পরতে বাধ্য করতে হবে। না পরলে জ’রিমানা।
যদি নেহায়েতই সবাইকে কোরবানি করতে দিতে হয়, সেক্ষেত্রে যত্রতত্র কোরবানির হাট বসানো যাবে না। হাটে কমপক্ষে ৬ ফিট দূরত্ব বজায় রেখে পশু বা গরু রাখতে হবে। হাট হিসেবে খোলা মাঠ ব্যবহার করা প্রয়োজন। হাট ইজারাদার, বিক্রেতা ও ক্রেতারা গ্লাভস, গাউন পরবেন। রোগা গরু বা পশু হাটে আনা যাবে না।একসঙ্গে অনেকে গরু কিনতে যাবেন না। উৎস: আমাদেরসময়.কম।




