‘ধর্ষ’ক’কে বাঁ’চাতে ৩৩ লক্ষ ঘু’ষ, গ্রেফ’তারির মুখে খোদ মহিলা পুলিশ অফিসার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অভিযু’ক্তের থেকে মোটা অংকের ঘু’ষ নিয়ে জোড়া ধ’র্ষণ মামলা ধা’মাচা’পা দেওয়ার গু’রুতর অ’ভিযোগ উঠল অহমদাবাদের মহিলা থানার ইনচার্জের বিরু’দ্ধে। এই ঘটনায় অভি’যুক্ত ওই মহিলা পুলিশ অফিসারের বিরু’দ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। যে কোনও সময় তাঁকে গ্রে’ফতার করা হতে পারে।
খবরে প্রকাশ, GAP কর্প সায়েন্স নামে একটি বেসরকারি সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেনাল শাহের বি’রুদ্ধে সম্প্রতি মহিলা থানায় ধ’র্ষণের অভি’যোগ করেন ওই সংস্থারই দুই মহিলা কর্মী। গত মাসে এই ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী তথা ওই সংস্থার সিকিউরিটি অফিসার কেনাল শাহের বি’রুদ্ধে স্যাটেলাইট থানায় হুম’কি দেওয়ার পৃথক একটি অভি’যোগ দায়ের করেন।
এই দু’টি ধ’র্ষণের অভি’যোগের মধ্যে একটির তদ’ন্তের ভা’র পরে সাব-ইনপ্সেক্টর তথা বর্তমানে মহিলা থানার ইনচার্জ শ্বেতা জাদেজার উপরে। অভি’যোগ, GAP কর্প সায়েন্সের এমডি ধ’র্ষণ ও হুম’কির দায়ে অভি’যুক্ত কেনাল শাহকে গ্রে’ফতার না করার বিনিময়ে ৩৫ লক্ষ টাকা ঘু’ষ চান তদ’ন্তকারী ওই মহিলা পুলিশ অফিসার। শুধু তাই নয়, দাবি মতো টাকা না দিলে দুই মহিলা সহকর্মীকে ধ’র্ষণ এবং নিরাপত্তা অফিসারকে হু’মকি দেওয়ার অভি’যোগে PASA-র আওতায় মা’মলা করার হু’মকি দেন তিনি। ওই মহিলা পুলিশ অফিসারের বি’রুদ্ধে দা’খিল করা ক্রাইম ব্রাঞ্চের এফআইআরে এমনই অভি’যোগ আনা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, মাত্র ৪ বছর আগে পুলিশে যোগ দেন শ্বেতা জাদেজা। জানা গিয়েছে, অভি’যুক্ত কেনাল শাহের দাদা ভবেশ শাহ মহিলা থানায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন শ্বেতা জাদেজা। অভি’যুক্তের দাদাকে তিনি বলেন, ২৫ লক্ষ টাকা না দিলে কেনালকে PASA-তে গ্রে’ফতার করা হবে। শেষ পর্যন্ত ২০ লক্ষ টাকায় র’ফা চূ’ড়ান্ত হয়। এক পরিচিত ব্যক্তির কাছে ঘু’ষের টাকা পৌঁছে দিতে হবে বলে অভি’যুক্তের ভাইকে জানান ওই মহিলা পুলিশ অফিসার। কথা মতো কেনাল শাহর দাদা ওই টাকা শ্বেতার বলে দেওয়া ব্য়ক্তির অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেন।
কয়েক দিন পরে কেনাল শাহর দাদাকে ফের থানায় ডেকে পাঠান পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর শ্বেতা। এবার স্যাটেলাইট থানায় কেনাল শাহর বি’রুদ্ধে দায়ের অপর একটি হু’মকির মামলায় গ্রেফ’তারি এড়াতে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। এবার সাড়ে ১১ লক্ষ টাকায় রফা হয়। আগের মতোই ওই একইভাবে স্বেতার বলে দেওয়া অ্য়াকাউন্টে টাকা পৌঁছে যায়।
এর মধ্যেই, গত মাসে ওই মহিলা পুলিশ অফিসারের বিরু’দ্ধে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভি’যোগ দায়ের করেন কেনাল শাহের দাদা ভবেশ শাহ। তাঁর দায়ের অভি’যোগের পরিপ্রেক্ষিতে আরএস সুরেভা নামে এক ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক তদ’ন্ত শুরু করেন এবং সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করেন। এর পরে শ্বেতা জাদেজার বিরু’দ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। ঘু’ষ নেওয়ার দায়ে অভি’যুক্ত ওই মহিলা পুলিশ অফিসারকে গ্রে’ফতার করার প্রস্তুতি চলছে।-এই সময়




