‘গোপন বিষয় গোপন থাকাই ভালো’
স্পোর্টস ডেস্ক।। খেলোয়াড়ি জীবন চলাকালীন জাতীয় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।
২০১৮ সালের নির্বাচনে নিজ জন্মস্থান নড়াইলের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। মাশরাফি মনোয়নপত্র কেনার দিন থেকেই শুরু হয় নানাবিধ আলোচনা।
কেউ কেউ সহজভাবেই নেন তার এ সিদ্ধান্ত। আবার কেউ মানতেই পারছিলেন না কেন এমন কিছু করবেন জাতীয় দলের অধিনায়ক। সেবার শুধু মাশরাফি নন, একই আলোচনা শোনা গিয়েছিল সাকিবের ব্যাপারেও। বলাবলি হচ্ছিল, মাশরাফির সঙ্গে সাকিবও হয়তো দাঁড়াবেন জাতীয় নির্বাচনে।
শেষ পর্যন্ত তা হয়নি এবং সাকিবের নির্বাচনে দাঁড়ানোর গুঞ্জনের সত্যতা কতখানি- সে ব্যাপারেও জানা যায়নি বিস্তারিত কিছু। প্রায় ১৭ মাস পর জার্মান সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন সাকিব। তবে সেসব গুঞ্জন নিয়ে কোন কথা বলেননি সাকিব। জানিয়েছেন গোপন বিষয় গোপন থাকাই ভালো।
তবে সংসদ সদস্য হওয়া নিয়ে তার তেমন কোন বাড়তি ভাবনা নেই, এটিও জানিয়েছেন। করোনাভাইরাস তাকে শিক্ষা দিয়েছে বেশি দূরের কথা ভাবার প্রয়োজন নেই। ফলে এমপি হওয়া না হওয়ার বিষয়টি সময়ের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন সাকিব।
তিনি বলেন, ‘এগুলো আসলে সব সময়ের ওপর ছেড়ে দিতে হবে। ভবিষ্যতে কী হবে তা বলা খুব কঠিন। করোনাভাইরাস আমাকে এই শিক্ষাটা দিয়েছে যে, আগামীকাল কী হবে তা আমরা কেউ জানি না। তাই এই জায়গা থেকে বলবো যে, খুব বেশি দূরের কিছুতে ফোকাস আমি করতে চাই না। যদি সুযোগ আসে (এমপি হওয়ার) তাহলে আমি স্বাগত জানাব। আর যদি না আসে তাহলেও আমি আফসোস করব না।’
২০১৮ সালের নির্বাচনকালীন সময়ে জনশ্রুতি চালু ছিল যে, সাকিব আল হাসান নিজেই সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনকি মাশরাফির সঙ্গে তিনিও মনোনয়নপত্র তুলতে চেয়েছিলেন। তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান সাকিব। খবর: জাগোনিউজ২৪




