320987

পুলিশে করোনা আ’ক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কারণ জানালো সদর দপ্তর

নিউজ ডেস্ক।। করোনাভাইরাসের সং’ক্রমণ প্রতিরোধে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে শুরু থেকেই মাঠে কাজ করে চলছে পু’লিশ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে এ পর্যন্ত এক হাজার ১৫৩ জন পু’লিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছেন। এত বেশি সংখ্যক পু’লিশ সদস্য আ’ক্রান্ত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছে পু’লিশ সদর দপ্তর। গতকাল মঙ্গলবার রাতে পু’লিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. সোহেল রানা এক ভিডিও বার্তায় এর কারণগুলো ব্যাখ্যা করেছেন।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, পু’লিশিং একটি ইউনিক প্রফেশন। এই প্রফেশনে থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেশার যে সুযোগ রয়েছে, তা অন্য কোনো প্রফেশনে নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দিকটি অ’ত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কোয়ারেন্টিন এবং আইসোলেশন নিশ্চিত করতে পু’লিশকে মানুষের বাড়ি বাড়ি যেতে হয়েছে। এগুলো নিশ্চিতে মানুষের খুব কাছে যেতে হয়।

তিনি বলেন, রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তা পু’লিশ’কেই করতে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যানবাহনের একটু সংকট রয়েছে, তাই পু’লি’শের গাড়িতে করে রোগীদের পৌঁছে দিতে হচ্ছে। এমনকি তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতেও পু’লিশ কাজ করছে।

সোহেল রানা বলেন, দ্রব্যমূল্য, কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও মানুষের খুব কাছে থেকে পু’লি’শ কাজ করে যাচ্ছে। ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠানে ব্যাপক মানুষের সমাগম, গার্মেন্টস কিংবা অন্য পেশার মানুষ যখন সমবেত হচ্ছেন, বিক্ষোভ করছেন-সেই পাবলিক অর্ডার ম্যানেজ করতে মানুষের মাঝে যেতে হচ্ছে পু’লিশ’কে।

তিনি আরও বলেন, আ’সামি’কে গ্রে’প্তা’র করতে খুব কাছ থেকে তাকে স্পর্শ করতে হয়। তা ছাড়া ধরা সম্ভব নয়। করোনায় কেউ মারা গেলে তার সৎকার, জানাজা, দাফনে পু’লিশকে যেতে হচ্ছে। কিন্তু তাৎক্ষণিক নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

সোহেল রানা বলেন, আমাদের কোনো সদস্য যখন আক্রান্ত হচ্ছেন, তখন অন্য সদস্যের মধ্যে সং’ক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। যারা ব্যারাকে থাকেন, সেখানে স্বল্প স্পেসে থাকতে হচ্ছে। একসঙ্গে থাকা তাদের জন্য ঝুঁ’কিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চেষ্টা করা হচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের নিরাপদ দূরুত্বে বিছানাসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু দেওয়ার। তারপরও পেশাগত বৈচিত্রের কারণে বাড়তি কিছু ঝুঁ’কি থেকে যাচ্ছে। এসব কারণে পু’লিশের করোনা সং’ক্রমণের হার বেশি।

ad

পাঠকের মতামত