320168

মেয়ের সামনে গ’ণধ’র্ষ’ণে জ্ঞান হারালেন মা, ওসি নিলেন ধ’র্ষ’ণচে’ষ্টার মা’ম’লা!

নিউজ ডেস্ক।। বরগুনার তালতলী উপজেলায় সাত বছরের মেয়ে শিশুকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মৃ’ত্যু’র ভ’য় দেখিয়ে তার মাকে গ’ণধ’র্ষ’ণ করার অ’ভিযো’গ উঠেছে। গত ২৩ এপ্রিল উপজেলার শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার এক সপ্তাহ পর ভুক্তভোগী নারী গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মা’ম’লা করতে যান। কিন্তু পু’লি’শ গ’ণধ’র্ষণে’র মা’ম’লা না নিয়ে ধ’র্ষণচে’ষ্টার অ’ভিযো’গে মা’ম’লা নিয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে ফিরছিলেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ওই মা। এ সময় পাথরঘাটা খেয়া পার হয়ে তালতলীর শুভসন্ধ্যা ঘাটে ওঠেন তিনি। সেখান থেকে নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাট যাওয়ার জন্য স্থানীয় জহিরুলের মোটরসাইকেলে ওঠেন তিনি।

জহিরুল বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মোটরসাইকেলে করে ওই নারীকে নিয়ে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের গহীন জঙ্গলে নিয়ে যান। পরবর্তীতে জহিরুল তার চার বখাটে সহযোগীকে (এমাদুল, নজরুল, সোহাগ, সাইদুল) মুঠোফোনে কল দিয়ে সেখানে নিয়ে আসেন। ওই নারীর সঙ্গে থাকা তার মেয়েকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মে’রে ফেরার ভ’য় দেখিয়ে সবাই মিলে ওই নারীকে ধ’র্ষ’ণ করেন। এতে ওই নারী জ্ঞা’ন হারালে ধ’র্ষক’রা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই নারীর জ্ঞান ফিরলে মেয়েকেসহ পাশের লোকজনের কাছে আশ্রয় চান। কিন্তু তারা আরেকটি মোটরসাইকেলে করে তাকে নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাটে পৌঁছে দেন।

ভুক্তবোগী গৃহবধূ বলেন, ‘মোটরসাইকেলচালক জহিরুলসহ পাঁচজন আমার মেয়েকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে খুনের ভ’য় দেখায়। পরে আমাকে বেলা ১১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ধ’র্ষ’ণ করেছে। পরবর্তীতে তারা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। আমার জ্ঞান ফেরার পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অন্য মোটরসাইকেলে নিশানবাড়িয়া এসে খেয়া পার হয়ে বাড়িতে পৌঁছাই।’

ওই নারী আরও বলেন, ‘লোকলজ্জার ভ’য়ে এ ব্যাপারে আমি কোথাও অ’ভিযো’গ করিনি। কিন্তু বিষয়টি ব্যাপকভাবে জানাজানি হওয়ায় আমি থা’না’য় এসে বিচার চাইতে বাধ্য হই।’

এ ঘটনায় একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, মোটরসাইকেলচালক জহিরুল সকাল ১০টার দিকে ওই নারীকে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের জঙ্গলের দিকে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পরে এমাদুল, নজরুল, সোহাগ, সাইদুল ও জঙ্গলের দিকে যান। বিকেল ৪টার দিকে ওই নারী রাস্তায় এসে জনসম্মুখে ঘটনাটি প্রকাশ করলে অন্য মোটরসাইকেল করে নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান জানান, অ’ভিযো’গ দিতে ভুক্তভোগী নিজেই থা’নায় এসেছেন। তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধ’র্ষণচে’ষ্টার অ’ভিযো’গে থা’নায় মা’মলা হয়েছে। আ’সামি’দের গ্রে’প্তা’রের চেষ্টা চলছে।

গ’ণধর্ষ’ণের ঘটনায় ধ’র্ষণ’চেষ্টার মা’ম’লা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘ভুক্তভোগী মহিলা আমাদের কাছে ধ’র্ষণ’চেষ্টা’র কথা বলেছেন। আমরা সেই মা’ম’লা নিয়েছি।’ উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।

ad

পাঠকের মতামত