৫০ টাকার জন্য বই কেড়ে নেয়ার অভিযোগ
বনভোজনের অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে না পারায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর পাঠ্য বই ফেরত নেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই অপমানে অন্যত্র ভর্তি হয়েছে সেই শিক্ষার্থী। এই ব্যাপারে শিক্ষকরা বলেন, কোনো কিছুই ঘটেনি। বনভোজনের টাকার ব্যাপারে একটু সমস্যা হয়েছিলো তা মিমাংসা করে দিয়েছেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, স্কুলের বনভোজনের জন্য সবার কাছেই ২৫০ টাকা করে বাধ্যতামূলক চাঁদা ধরা হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ছাত্র/ছাত্রী ২০০ টাকা করে জমা দেয়। অতিরিক্ত ৫০ টাকার জন্য শিক্ষকরা ছাত্র/ছাত্রীদের উপর চাপ প্রয়োগ করে। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী কাজলী রানী রায়ের বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র রায় অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ২০০ টাকা ফেরত চায়। তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ের শিক্ষকরা টাকা ফেরত দেয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বই কেড়ে নেয়ার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বনভোজনের অতিরিক্ত ৫০ টাকা নিয়ে কিছু সমস্যা হয়েছিলো কাজলীর সঙ্গে। পরে কাজলীর বাবা টাকা ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেই।
কাজলীর বাবা এই ব্যাপারে জলঢাকা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জানালে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এসে ঘটনাটি মিমাংসা করে দেন। পরে আমরা কাজলীকে বনভোজনে নিয়ে যাই এবং তার বইও ফেরত দেই। উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর মোহম্মদের জানান, আমরা ঘটনাটি মিমাংসা করে ফেলেছি।




