‘গরিব মানুষ’ হয়ে নামাজের ব্যাপারে কথা বলায় মসজিদের মধ্যেই বৃদ্ধকে প্রভাবশালীদের মারধর !
বেতাগীতে মসজিদের মধ্যে বসে এক বৃদ্ধ মুসুল্লিকে মারধরের অভিযোগ পওয়া গেছে। ২৬ এপ্রিল শুক্রবার বেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নের উত্তর ছোপখালী গ্রামে মোল্লা কান্দা জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ শুরু হওয়ার পূর্বমূহুর্তে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, লাল মিয়া(৫৫) নামক এক বৃদ্ধ মুসুল্লিকে একই গ্রামের প্রভাবশালী মো. গনি মল্লিক ও তার ভাই আবদুল বারেক মল্লিক মসজিদের মধ্যে বসে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নির্যাতিত মুসল্লি মো. লাল মিয়া বলেন, মসজিদে নামাজ শুরু হওয়ার পূর্বে মসজিদের উন্নয়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। একই সাথে রমজান মাসকে কেন্দ্র করে তারাবিহের নামাজ আদায়ের ব্যাপারে ইমাম রাখার প্রসঙ্গে আমি কথা বললে, আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গনি মল্লিক আমাকে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমাকে ধাক্কা দেয় এবং মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন, একই সাথে আমাকে বলেন, তুই গরিব মানুষ মসজিদের ব্যপারে কথা বলতে আসো কেনো।
আমার সাথে এমন তর্ক চলাকালীন সময়ে তার ভাই বারেক মল্লিক এসে আমাকে চর,থাপ্পর ও ধাক্কা দিতে শুরু করেন। কিছু সময় এমন চলার পরে অন্যান্য মুসুল্লিরা তাকে শান্ত করেন, একই সাথে তিনি আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, আমি যেন এই মসজিদে আর নামাজের জন্য না আসি। আমি এমন অপমানের জন্য আইনের আশ্রয় নিব।
সরেজমিনে গিয়ে তথ্য নিলে জানা যায়, শুক্রবার মসজিদে রমজান মাসে ইমাম রাখার ব্যপারে আলোচনা করা হলে তর্কাতর্কি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী মুসুল্লি জব্বার মোল্লা ও কুদ্দুস মোল্লা বলেন, মসজিদের মধ্যে মারামারি হয়নি তবে ধাক্কাধাক্কি করেছে,আর গন্নি মল্লিক খুব নোংরা ভাষায় কথা বলেছে অসুস্থ ও বৃদ্ধ লাল মিয়াকে, এমনটা করা তার ঠিক হয়নি।আমরা স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার চেষ্টা করবো।এ ব্যাপারে বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি,তবে লিখিত অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবো। সূত্র: দি বাংলাদেশ টুডে





