293290

শ্রীলঙ্কা হামলা সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য : বিস্ফোরণের আগে কী করছিল আত্মঘাতীরা!

শ্রীলঙ্কায় রোববারের সিরিজ বোমা হামলায় হামলাকারীদের সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।
পুলিশ জানায়, একটি হোটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটানোর ঠিক আগে খাবারের লাইনে দাঁড়িয়েছিল ওই হামলাকারী। পরে তার কাছে খাবার তুলে দেয়ার সময়ই ওই বিস্ফোরণ ঘটায় সে। এতে খাবার পরিবেশনকারী ওই কর্মী সাথে সাথে মৃত্যুবরণ করেন।

চাঞ্চল্যকর ওই তথ্যে জানা যায়, কলম্বোর গ্র্যান্ড হোটেলের খাবারের লাইনে দাঁড়িয়েছিল ওই হামলাকারী। পরে ঠিক যে সময় তার পাতে খাবার তুলে দেয়ার কথা সে সময়ই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেয় সে। হোটেলে সে সময় প্রচুর মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে মুহূর্তেই সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই অনেকের প্রাণ যায়। দৌড়ে ওই স্থান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেও আহত হন অনেকে। গ্র্যান্ড হোটেলের ম্যানেজার জানান, লাইন ধরে খাবারের কাউন্টারের সামনে পর্যন্ত যায় হামলাকারী। এরপর কাউন্টারের কাছাকাছি জায়গায় পৌছে নিজের সাথে থাকা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় হামলাকারী। এসে সাথে সাথেই মারা যায় খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে থাকা কর্মী এবং হামলাকারী উভয়েরই।

প্রায় একই সময় শহরের আরও দু-তিনটি বড় হোটেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর আগে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে তিনটি গির্জাও। ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রার্থনার জন্য সে সময় প্রচুর মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ফলে মুহূর্তের মধ্যেই মৃতের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। কলম্বোর অন্যতম পুরনো গির্জা সেন্ট অ্যান্থনিতে বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে গির্জার বেশিরভাগ অংশই ভেঙে গেছে।

এদিকে এই ঘটনার মধ্যেই রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর প্রধান বিমান বন্দরের খুব কাছ থেকে পুলিশ পাইপ বোমা উদ্ধার করে। তবে নতুন করে ভয়াবহ কিছু ঘটার আগে সেটি নিষ্ক্রিয় করে দেয় পুলিশ।তবে শ্রীলঙ্কার গির্জায় যে হামলা হতে পারে দিন দশেক আগেই তার ইঙ্গিত পেয়েছিল পুলিশ। এ বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিলেন শ্রীলঙ্কার পুলিশ প্রধান। পুলিশ প্রধান পি জয়াসুন্দরা গত ১১ এপ্রিল এ সতর্কবার্তা সব পুলিশ কর্মকর্তার কাছে পাঠান। ওই সতর্কবার্তায় লেখা হয়েছিল, এনটিজে নামে একটি সংগঠন দেশের বিশিষ্ট গির্জায় হামলার চেষ্টা করছে।

ad

পাঠকের মতামত