টাকার ব্যাগ ছিনতাইকালে পুলিশ সদস্যকে আটক করলো জনতা
মোটরসাইকেল আরোহীর পথ রোধ করে টাকার ব্যাগ ছিনতাইয়ের সময় এক পুলিশ সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে সাধারণ মানুষ। বুধবার (৩ এপ্রিল) জয়পুরহাটের বটতলী ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটেছে।পুলিশ সদস্য আটক হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল মহিদুল ইসলাম নামের ওই কনস্টেবলকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানায়, স্থানীয় ব্যবসায়ী রতন মিয়া তার ভগ্নিপতি আব্দুল ছালেক মিয়াকেজয়পুরহাট ইসলামী ব্যাংকে পাঠিয়েছিলেন টাকা আনার জন্য। তিনি ৮ লাখ তুলে বিকেল ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। পথে মেসার্স ডালিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পাঁচবিবি থানার কনস্টেবল মহিদুল ইসলাম সাদা পোশাকে তাকে থামতে বলেন।
তবে না নেমে দ্রুত মোটরসাইকেল চালান। তখন মফিদুলও পিছু নেন। ক্ষেতলাল থানার বটতলী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে তার গতিরোধ করেন। এ সময় টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিতে গেলে আব্দুল ছালেক চিৎকার দেন। ছালেকের চিৎকারে আশপাশে থাকা লোকজন ছুটে এসে পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষেতলাল থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে কনস্টেবল মহিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে রতন মিয়া বলেন, এর আগেও আমার ১৪ লাখ টাকা একইভাবে ছিনতাই হয়েছে। থানায় মামলাও করেছি। কিন্তু আজও ওই টাকা উদ্ধার বা কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এবারের ঘটনায়ও মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
ক্ষেতলাল থানার ওসি শাহরিয়ার খান গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের এমন আচরণ কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে নির্দেশনা এলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাঁচবিবি থানার ওসি বজলার রশিদ বলেন, কনস্টেবল মহিদুল ইসলাম থানার অনুমতি না নিয়েই ক্ষেতলাল থানার সীমানায় প্রবেশ করে তল্লাশির নামে ব্যবসায়ীর সঙ্গে যে ঘটনা ঘটিয়েছে তা তার একান্তই ব্যক্তিগত। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হয়েছে। সূত্র: সময় টিভি




