রাঙ্গামাটিতে যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান শুরু
রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলায় নির্বাচনী কাজ শেষে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত সাতজনের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের মরদেহ বিজিবি ও পুলিশি পাহারায় খাগড়াছড়িতে নেয়া হয়। রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছুফিউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৭ জন নিহতের ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। চরম আতঙ্কে রয়েছেন পাহাড়ি ও বাঙালিরা।
এমতাবস্থায় চিরুনি অভিযান শুরু করেছে যৌথবাহিনী। তারা জানিয়েছে কোনো সন্ত্রাসীকে ছাড় দেয়া হবে না। তাছাড়া হামলার ঘটনা খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় প্রশাসন ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। হতাহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজিম সরোয়ার। তিনি বলেন, ‘এলাকার পরিস্থিতি আপাতত থমথমে রয়েছে। দেখে শান্ত মনে হলেও কিন্তু ভেতরে শান্ত নয় বলে মনে হয়েছে।’
সন্ত্রাসীদের হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা উল্লেখ করে সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুল হক জানান, সন্ত্রাসী নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।তিনি বলেন, সম্ভাব্য যেসব জায়গায় তারা অবস্থান করতে পারে, সেইসব জায়গা আমরা খুঁজে দেখেছি। আমরা চিরুনি অভিযান করছি। কাউকে সামান্যতম ছাড় দেয়া হবে না।প্রসঙ্গত, সোমবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ভোট কেন্দ্র থেকে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে ফেরার পথে দুর্গম নয়মাইল পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ ৭ জন নিহত এবং ১১ জন গুলিবিদ্ধসহ ২৬ জন আহত হন।




