269825

পাকিস্তানে আটক ভারতীয় পাইলটের স্ত্রীও ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার

ডেস্ক রিপোর্ট।। পাকিস্তানের হাতে বন্দি রয়েছেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর পাইলট অভিনন্দন। পাকিস্তানের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মিগ ২১ থেকে ‘ইজেক্ট’ হওয়ার পর রক্তাক্ত অবস্থায় দৃঢ়তার সঙ্গে এই অফিসার জেনেভা কনভেনশনের কথা উল্লেখ করে সার্ভিস নম্বর ও পদমর্যাদা ছাড়া আর কিছু বলতে চাননি। তা দেখে শ্রদ্ধায় অবনত হয়েছে ভারতীয়রা। বর্তমানে পাক হেফাজতে থাকা অভিনন্দনের ‘দ্রুত ও নিরাপদ মুক্তি’র জন্য ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে সাউথ ব্লক। একই সঙ্গে জেনেভা চুক্তির কথা স্মরণ করিয়ে অভিনন্দনকে নির্যাতন করা নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে পাকিস্তানকে।

নয়াদিল্লির দাবি, পাকিস্তানের একটি বিমানকে (এফ-১৬) গুলি করে নামিয়েছে ভারতের মিগ-২১ (বাইসন)। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকে গানডাউন করার সময় ‘মিসিং ইন অ্যাকশন’ হয়েছেন মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের চালক অভিনন্দন। উইং কমান্ডার অভিনন্দন চেন্নাইয়ের জলবায়ু বিহারের বাসিন্দা। কাঞ্চিপুরমের তিরুপানামুর গ্রামে তার আদি বাড়ি। ২০০৪ সালে বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন অভিনন্দন। ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। এক সময় সুখোই বিমানের চালক ছিলেন অভিনন্দন। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার হিসেবেও পরিচিত এই উইং কমান্ডার।

অভিনন্দনের বাবাও বিমান বাহিনীর অত্যন্ত দক্ষ অফিসার ছিলেন। তিনি সাবেক এয়ার মার্শাল সিম্হাকুট্টি বর্তমান। ১৯৯৯ সালে অভিনন্দনের বাবার নির্দেশেই গ্বালিয়র এয়ারবেসে মিরাজ-২০০০ আধুনিকীকরণের কাজ হয়। গ্বালিয়রে তখন চিফ অপারেটিং অফিসার ছিলেন সিম্হাকুট্টি। ছেলেকেও একই রকম অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন তিনি।

বাবা, মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে থাকেন অভিনন্দন। অভিনন্দনের স্ত্রী তনভি মারওয়াহা ও বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার ছিলেন। ১৫ বছর পর অবসর নিয়েছেন তিনি। হেলিকপ্টার চালক হিসেবে তনভি কাজ করতেন অবসর সময়ে। আইআইএম আহমদাবাদ থেকে পড়াশোনা করেছেন তনভি।  ভারতীয় বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান অরূপ রাহা জানিয়েছেন, দক্ষ অফিসারদের অন্যতম অভিনন্দন তাঁর সন্তানসম। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে আনা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ad

পাঠকের মতামত