264144

৯ শর্ত আত্মসমর্পণে

নিউজ ডেস্ক।। গতকাল শনিবার সকাল ৮টা। টেকনাফ পাইলট হাইস্কুল মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যরকম ব্যস্ততা। সীমান্ত উপজেলার ছোট্ট মফস্বল শহর টেকনাফের রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার টহল। ইয়াবাকারবারিদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান দেখতে হাইস্কুল অভিমুখী এলাকার লোকজন। ৯টার মধ্যেই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ। নারী-পুরুষের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। অতিথিরা আসতে শুরু করেছেন। ঘড়ির কাঁটা আস্তে আস্তে এগোচ্ছে। মাঠভর্তি উৎসুক মানুষের অপেক্ষা বাড়ছে। সকাল সোয়া ১০টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শীর্ষ ইয়াবাকারবারিদের নিয়ে ৩টি বাস প্রবেশ করে মাঠে।

অনুষ্ঠানস্থলে এরই মধ্যে চলে আসেন প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খাঁন কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। ১০২ মাদককারবারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের আইজিপির কাছে দোষ স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ তাদের কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা বড়ি ও দেশে তৈরি ৩০টি এলজি আগ্নেয়াস্ত্র, তাজা গুলি উদ্ধার করে।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে ২ ইয়াবাকারবারি নিজেদের দোষ স্বীকার করে বক্তব্য রাখেন। তারা এ কারবারে জড়িয়ে যাওয়ার জন্য অনুতাপ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। এর পরই আত্মসমর্পণকারীদের মাদক ও অস্ত্র আইনের দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত থেকে পাঠানো হয় কক্সবাজার জেলা কারাগারে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপিসহ অতিথিরা টেকনাফ ও কক্সবাজারকে ইয়াবামুক্ত করার ঘোষণা দেন। তালিকাভুক্ত অন্য কারবারিদের আত্মসমর্পণ করার অনুরোধ জানানো হয়। আত্মসমর্পণ না করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

আলোচিত সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা নিয়ে উপস্থিত লোকজনের কৌতূহল ছিল। তবে বদি আসেননি। কিন্তু বদির ভাইসহ ১৩ স্বজন আত্মসমর্পণ করেন। কক্সবাজারের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারে যুক্ত যে ১ হাজার ১৫১ জনের নাম গোয়েন্দা তালিকায় রয়েছে, সে তালিকার শীর্ষেই রয়েছে আবদুর রহমান বদির নাম। ইয়াবাকারবারিদের বেশ কয়েকজন বিদেশ থেকে এসে আত্মসমর্পণ করেন। আত্মসমর্পণ করা ১০২ জন মাত্র ৩০ আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেওয়ায় এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন।

তাদের দাবি, আত্মসমর্র্পণকারীদের দখলে অত্যাধুনিক অনেক আগ্নেয়াস্ত্র এখনো রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, শীর্ষ ইয়াবাকারবারিদের আত্মসমর্পণ করা নিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কী প্রক্রিয়ায় আত্মসমর্পণ হবে, তা নিয়ে সরকারের কর্তাব্যক্তিরা ব্যাপক আলোচনা করেন। এ নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপিসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করেন।

তা ছাড়া চট্টগ্রাম রেঞ্জসহ কক্সবাজার পুলিশ প্রশাসনও আলাদাভাবে বৈঠক করে। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আত্মসমর্পণের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়। টেকনাফ পৌরসভাসহ আশপাশের লোকজন জানান, আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তিন দিন ধরেই পুরো টেকনাফ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ন্ত্রণে নেয়। পাইলট হাই স্কুল মাঠ সাজাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। আরও জানা যায়, যারা এখনো আত্মসমর্পণের বাইরে থেকে গেছেন, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ৯ শর্ত মানতে হবে : আত্মসমর্পণকারী ইয়াবাকারবারিদের ৯ শর্ত মেনে চলতে হবে। এর বাইরে গেলেই পদক্ষেপ নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শর্তগুলো হচ্ছে হেফাজতে থাকা সব ইয়াবা ও অবৈধ অস্ত্র পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে; আত্মসমর্পণের আগে দায়ের হওয়া মামলা ও বিচার কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলবে; ইয়াবা কারবারে নিজের ও পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়স্বজনের নামে-বেনামে অর্জিত সব সম্পদ দুদক, সিআইডির মানি লন্ডারিং শাখা ও এনবিআরের মাধ্যমে যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে; আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় দায়ের হওয়া মামলায় সরকারের অনুমতিসাপেক্ষে সহায়তা দেওয়া হবে; এখনো সক্রিয়দের ব্যাপারে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে; আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত হলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকা- চালাতে হবে এবং পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে, ভবিষ্যতে কখনো মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত হওয়া যাবে না; সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তাদের অর্জিত সব স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি যাচাইসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আাসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাংসদ শাহিন আক্তার, সাংসদ জাফর আলম, আশেকুল্লাহ রফিক, সায়মুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, বিজিবির রিজয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার সাজেদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস ও কক্সবাজার পৌর মেয়র মজিবুর রহমানসহ পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বাংলাদেশে কোনো মাদক কারবার ও মাদক সেবনকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক দেশের ভবিষ্যতের ক্ষতি করছে। যারা মাদক সেবন করেন, তাদের বউ চলে যাচ্ছেন; যে বোনরা সেবন করছেন, তাদের স্বামী থাকছেন না। মাদককারবারি বা সেবনকারীরা কোনোভাবেই নিস্তার পাবেন না। প্রথমে বিজিবির হাতে ধরা পড়বেন, না পড়লে র‌্যাবের হাতে, তারপরও না হলে পুলিশ আপনাদের ধরবেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের স্বপ্ন পূরণ করতে বাধা যদি মাদক হয়, তা হলে মানতে পারব না। খুঁজে খুঁজে একটা একটা করে বের করে আনা হবে। মিয়ানমার আর আমাদের সীমান্ত দিয়ে মাদক ব্যবসা করতে পারবে না। আমরা আমাদের সীমান্তকে মাদকের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করতে দেব না।

পুলিশপ্রধান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, যারা মাদক ব্যবসা করছেন। আমরা তাদের কোনো ছাড় দেব না। আমরা তাদের ছাড়ব না। মাদককারবারিরা কখনো সাধারণ মানুষের চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে না। আজ (গতকাল) যে ১০২ জন আত্মসমর্পণ করেছেন, তাদের কথা শুনে বুঝতে পারবেন তারা কেমন আছেন। আমি তাদের কঠোর বার্তা দিতে চাইÑ এখনো যারা এ ব্যবসায় আছেন, আপনাদের ছাড় নেই। আইজিপি আত্মসমর্পণকারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। আপনাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব। পুলিশপ্রধান বলেন, যদি কোনো পুলিশ সদস্য মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। আর কোনোক্রমেই সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন স্বাগত বক্তব্যে বলেন, সারাদেশে প্রবেশ করা মাদকের অধিকাংশ আসে এ পথেই। মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে কিছু লোক রাতারাতি ধনী হয়ে যায়। গত বছর থেকে এ জেলায় ১ হাজার ৪৪১ মামলায় ১ হাজার ৫৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলির একপর্যায়ে ৫৩ জন নিহত হয়। কিন্তু এখন মনে করেছি, মাদক নির্মূল করতে প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ১ বছর ধরে মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যুদ্ধ করছে। আমি হুশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, যারা আত্মসমর্পণ করেননি, আপনাদের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। আপনারা নিজ বাড়িতে ঘুমাতে পারবেন না। আপনাদের নাফ নদেত গিয়ে ঘুমাতে হবে। তাই আমি বলছি, যারা আত্মসমর্পণ করেননি তারা আত্মসমর্পণ করার প্রস্তুতি নেন। কক্সবাজার ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির স্ত্রী শাহীন আক্তার বলেন, মাদক ব্যবসার কারণে মাছ ধরতে না পেরে তারা ইয়াবা কারবার করছে। তাদের মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার কথা বলছি। মাদক নির্মূলে মিয়ানমার সীমন্তে কাঁটাতার দেন। এতে মাদকমুক্ত হবে টেকনাফ। আমরা টেকনাফকে মাদকমুক্ত করতে কাজ করছি।

দুই ইয়াবাকারবারির অনুশোচনা : অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ইয়াবাকারবারি সিরাজ বলেন, আমি ভুল করেছি। এ ব্যবসা জীবনের জন্য ঝুঁকি। আমি আজ ভালো নেই। আমি চাই, কোনো তরুণ যেন আমার মতো এ ব্যবসায় না আসে।

এনামুল হক এনাম মেম্বার বলেন, সীমান্তে এলাকায় জন্ম নেওয়ায় আমাদের পাপ হয়েছে। আমি যদি এবার আদালত থেকে ক্ষমা পেয়ে বের হয়ে আসতে পারি, টেকনাফকে মাদকমুক্ত করব। তিনি বলেন, আমি গডফাদার না, আমি সাধারণ এনাম। আমি পরিস্থিতির শিকার। এই বক্তব্য দেওয়ার সময় পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা এসপিসহ অন্য কর্মকর্তারা তাকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।

পরে জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা তার কানের কাছে গিয়ে বলেন, আপনি প্রসঙ্গের বাইরে চলে যাচ্ছেন। মূল পয়েন্টে কথা বলেন। মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা : আত্মসমর্পণের পর পুলিশ বাদী হয়ে ১০২ ইয়াবাকারবারির বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানান থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস। তিনি আমাদের সময় বলেন, এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

আত্মসমর্পণকারীদের নাম : আলিয়াবাদের সাবেক সাংসদ বদির ছোট ভাই আবদুস শুক্কর, একই এলাকার আমিনুর রহমান, পশ্চিম লেদারের নুরুল হুদা মেম্বার, উত্তর লেঙ্গুর বিলের দিদার মিয়া, মুন্ডারডেইলের শাহেদ রহমান নিপু, ডেইলপাড়ার আবদুল আমিন, একই এলাকার নুরুল আমিন, চৌধুরীপাড়ার শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক, একই এলাকার ফয়সাল রহমান, নাজিরপাড়ার এনামুল হক ওরফে এনাম মেম্বার, মৌলভীপাড়ার একরাম হোসেন, নাজিরপাড়ার সৈয়দ হোসেন, আলিরডেইলের শাহেদ কামাল, সাবরাংয়ের মৌলভী বছির আহম্মদ, পুরান কল্যাণপাড়ার শাহ আলম, নাজিরপাড়ার আবদুর রহমান, মধ্য জালিয়াপাড়ার মোজাম্মেল হক, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার জোবায়ের হোসেন, কুলালপাড়ার নুরুল বছর কাউন্সিলর ওরফে নুরসাদ, শিলবুনিয়াপাড়ার কামরুল হাসান রাসেল, গোদারবিলের আবদুর রহমান, একই এলাকার জিয়াউর রহমান ওরফে জিহাদ, হ্ণীলাপাড়া বাজারের মোহাম্মদ শাহ, পশ্চিম লেদারের নুরুল কবির, ওয়ালিবাদের মারুফ বিন খলিল, নাইটাংপাড়ার মোহাম্মদ ইউনুছ, নীলা পশ্চিমপাড়ার সৈয়দ হোসেন ওরফে ছইতু, আলীখালির জামাল মেম্বার, জাদিমুরার হাসান আবদুল্লাহ, উত্তরপাড়ার রেজাউল করিম মেম্বার, লেদা পূর্বপাড়ার আবু তাহের, হ্লীলাফুলের ডেইলের রমজান আলী, পূর্ব লেদারের ফরিদ আলম, নীলা পশ্চিমপাড়ার মাহবুব আলম, নাজিরপাড়ার মো. আফসার, নাইটাংপাড়ার হাবিবুর রহমান, পানছুড়িপাড়ার শামসুল আলম ওরফে সামসু মেম্বার, পুরান কল্যাণপাড়ার মোহাম্মদ ইসমাইল, মৌলভীপাড়ার আবদুল গনি, একই এলাকার মোহাম্মদ আলী, নাজিরপাড়ার জামাল হোসেন, কুচবুনিয়াপাড়ার আবদুল হামিদ, পূর্বপানখালীর নজরুল ইসলাম, পশ্চিম শিকদারপাড়ার রশীদ আহম্মেদ, মুন্ডারডেইলের মোয়াজ্জেম হোসেন, জাহালিয়াপাড়ার সিরাজ, চৌধুরীপাড়ার আলম, মধ্যমডেইলপাড়ার আবদুল্লাহ, রাজারছড়ার হোসেন আলী, দক্ষিণ নয়াপাড়ার তৈয়ব, উত্তর জালিয়াপাড়ার নুরুল কবির মিঝি, উত্তর আলীখালির শাহ আজম, আলীর ডেইরের জাফর আহম্মেদ, নাজিরপাড়ার জাফর আলম, হ্লীলাফুলের ডেইলের রোস্তম আলী ওরফে রোস্তম, পশ্চিম লেদার হোসাইন, জালিয়াপাড়ার নুরুল আলম, উত্তর জালিয়াপাড়ার হাসেম ওরফে আংকু, জুমপাড়ার শফিউল্লাহ, ফুলের ডেইলের আবু তৈয়ব, একই এলাকার আলী নেওয়াজ, পশ্চিম দেলার জহুল আলম, পূর্ব লেদার হুসাইন, বড় হাবির পাড়ার সিদ্দিক, পূর্ব লেদার রবিউল, মুন্ডারডেইলের মঞ্জুর আলী, দক্ষিণ লেদার হামিদ হোসেন, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার মো. আলম, শিলবুনিয়াপাড়ার আইয়ুব, মুন্ডারডেইলের মো. রাসেল, একই এলাকার নুরুল আমিন, পশ্চিম লেদার বোরহান উদ্দিন, মাঠপাড়ার কামাল হোসেন, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার ইমান হোসেন, আলী খালির হারুন, কাটাবুনিয়ার শওকত আলম, সাবরাংয়ের হোসেন আহম্মেদ, নাইটংপাড়ার আইয়ুব, উল্টরশীলখালীর আবু সৈয়দ, নাইটংপাড়ার রহিম উল্লাহ, নাজিরপাড়ার রফিক, কল্যাণপাড়ার সেলিম, দক্ষিণ নয়াপাড়ার নূর মোহাম্মাদ, তোলাইলি নুরুল বছর ওরফে কালাভাই, চৌধুরীপাড়ার মং অং থেইন ওরফেম মমচি, নাজিরপাড়ার হেলাল, কুচবুনিয়ার বদিউর রহমান, উল্টরলম্বরীর আব্দুল করিম ওরফে করিম মাঝি, মনতলিয়ার জুমপাড়ার সৈয়দ আলম, হাতিয়াঘনার মো. হাসোন, জাহাজপুড়ার নুরুল আলম, রাজারছড়ার আব্দুল কুদ্দুস, হাতিয়াঘনার দিল মোহাম্মদ, ঝিনাপাড়ার আলী আহম্মেদ, মুন্ডারডেইলের সাকের মিয়া, দক্ষিণনয়াপাড়ার আলমগীর ফয়সাল, পূর্ব লেদার জাহাঙ্গীর আলম, নাজিরপাড়ার নুরুল আলম, শাহপরীর দ্বীপের সামসুল আলম, মিঠাপানির ছড়ার ইউনুছ, পশ্চিম পানখালীর নুরুল আফসার ওরফে প্রকাশ আফসার ও ঝিলংজার শাজাহান আনসারী। উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।

ad

পাঠকের মতামত