উপজেলা পরিষদ চত্বরে ধানের চাষ!
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ধানের চাষ করা হচ্ছে। ওই অফিসের একজন পিয়ন দীর্ঘদিন ধরে এই চাষাবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন।সোনাতলা উপজেলা কমপ্লেক্সের সামনে এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কোয়ার্টার সংলগ্ন স্থানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আজাদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এই ধান চাষ করছেন।স্থানীয় লোকজন জানান, সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহার করে ওই অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আজাদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছেন। এতে করে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে দপ্তরে আসা লোকজন উন্মুক্ত পরিবেশে চলাচলসহ বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। এমনকি উপজেলা পরিষদ চত্বর সংলগ্ন সবুজ সাথী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আনন্দ- বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
আজ শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের পূর্ব পাশে ওই কর্মচারী একটি শ্যালো মেশিন চালিয়ে উপজেলা কমপ্লেক্সের সরকারি সম্পত্তিতে পানি সেচ দিচ্ছেন। সেখানে পাঁচজন শ্রমিক ইরি ধান রোপণ করছিলেন।এ বিষয়ে স্থানীয় সবুজ সাথী উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, এভাবে ধান চাষ করায় তাদের খেলার বল সেখানে চলে যায়। সেটি আনতে গিয়ে শরীরে কাদা লাগে।জানতে সোনাতলা ইউএনও অফিসের কর্মচারী আজাদুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক বছর ধরে উপজেলা পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন ফলের গাছ বছর মেয়াদি লিজ নিয়ে তা রক্ষণাবেক্ষণসহ বিক্রি করছেন। তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে সরকারি সম্পত্তিতে চাষাবাদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো লিখিত অনুমতি নেননি।
সোনাতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির জানান, উপজেলা পরিষদের ফলবাগান লিজ দেওয়া যেতে পারে। তবে কাউকে সরকারি সম্পত্তি অপব্যবহারের অনুমতি কেউ দিতে পারে না।এ বিষয়ে সোনাতলার ইউএনও শফিকুর আলম বলেন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরের ফল বাগান লিজ নিয়েছে।




