261076

মেয়েদের জিম্মি করে অসামাজিক কাজ করাতেন তারা

নিউজ ডেস্ক।। নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা হতে নারী পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)। গ্রেপ্তারকৃতরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যুবতী মেয়েদের অধিক বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারিত করে ঢাকায় নিয়ে আসে। এরপরে তাদের জিম্মি করে জোরপূর্বক অসামাজিক কাজে ব্যবহার করত। আজ রোববার র‍্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শেফালী বেগম (৫০) ও মামুন (৩৫)।

এএসপি জানান, গোপনসূত্রে তথ্যের ভিত্তিতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে র‌্যাব-১১ এর একটি দল নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে প্রথমে শেফালী বেগমকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার বাসা থেকে পাচারের শিকার ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার হওয়া শেফালী বেগমের স্বীকারোক্তি ও ভিকটিমের জবানবন্দি অনুযায়ী কদমতলী এলাকা হতে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে মিজানুর রহমান জানান, শেফালী বেগম দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে ফ্যামিলি বাসার ছদ্মবেশে অসামাজিক কার্যকলাপের ব্যবসা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে সে যুবতী মেয়েদের অধিক বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে আসত। এরপর তাদের জিম্মি করে জোরপূর্বক অসামাজিক কাজে ব্যবহার করত।

র‍্যাব জানায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে মামুন উদ্ধারকৃত এক ভিকটিমকে বেশি বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে। প্রথমে ভিকটিমকে ঢাকার কমলাপুর এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে রাখে। মামুন হোটেল কক্ষে জোরপূর্বক ভিকটিমের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভিকটিমকে শেফালি বেগমের হাতে তুলে দেয়। শেফালি বেগম ভিকটিমকে তার বাসায় জিম্মি ও মারধর করে নিয়মিত অসামাজিক কাজে বাধ্য করত।

ad

পাঠকের মতামত